ঘরের মাঠে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি খেলেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ। এর আগেই অবশ্য অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ ম্যাচের সাতটি জিতে প্রস্তুতি সেরে রেখেছে মাহমুদউল্লাহর দল। তার পরেও একে পারফেক্ট প্রস্তুতি বলা যাচ্ছে না! কেননা স্লো ও টার্নিং উইকেটে খেলেই বাংলাদেশ ম্যাচগুলো জিতেছে। সেখানে ব্যাটসম্যানরা ঠিকমতো প্রস্তুতিটা নিতে পারেনি। এখন আরব আমিরাতের স্পোর্টিং উইকেটে খেলতে ওমানে এক সপ্তাহের ক্যাম্পই ভরসা মুশফিক-সাকিবদের।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ওমানে। প্রথম পর্বের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে। যদিও মাহমুদউল্লাহরা ৪ কিংবা ৫ তারিখেই ওমানের উদ্দেশে রওয়ানা দেবে। সেখানে এক সপ্তাহের মতো অনুশীলন শেষে মাঠে নামার সুযোগ পাবে। বৃহস্পতিবার দল ঘোষণার পর প্রধান নির্বাচক বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে বলেছেন, ‘যে কোন ফরম্যাটে খেলি না কেন, জয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয়টা কিন্তু আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, হারতে থাকলে মানসিকতা এমনিতেই নেমে যায়। সে হিসাবে জয়ের আত্মবিশ্বাস ধারাবাহিক থাকলে যে কোন জায়গায় আরেকটি সিরিজ বা টুর্নামেন্ট ভালোভাবে খেলা যায়। এই জয়গুলোর ধারাবাহিকতায় ক্রিকেটাররা অবশ্যই আত্মবিশ্বাস পেয়েছে।’
তবে মিনহাজুল আবেদীন স্বীকার করছেন ওমানে গিয়েই ‘আসল’ প্রস্তুতি শুরু হবে বাংলাদেশের, ‘বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কিন্তু ওমানে গিয়ে শুরু হবে। ওখানকার কী উইকেট, সেসব দেখে আমরা পরিকল্পনা নিবো। আমরা কিন্তু কখনও ওমানে খেলিনি। সেখানে না যাওয়া পর্যন্ত কি পরিকল্পনায় খেলবো, এটা বোঝাও মুশকিল। তাই আগাম পরিকল্পনার ব্যাপারে বলা মুশকিল। তবে আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে, ক্রিকেটাররা দ্রুততম সময়ে মানিয়ে নিতে পারবে।’
অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে কোন ব্যাটসম্যান ভালো করতে পারেননি। গত ৯ ম্যাচের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি ইনিংস এসেছে মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটিতে ৫২ এবং বুধবার কিউইদের বিপক্ষে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। এর পরেও প্রধান নির্বাচক তার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসী, ‘বিশ্বকাপ শুরু হতে প্রায় এক মাসের মতো সময় আছে। সেদিক থেকে বিল্ডআপের যথেষ্ট সময় আছে। যদি নিজে পরিকল্পনা করে একটা সিস্টেমের মধ্যে যাওয়া যায়, অবশ্যই ভালো করা সম্ভব।’









