টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম করেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ফর্মে থাকা এই ওপেনারকে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে দিলেন না মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের বলে বোল্ড হয়ে গেছেন রিজওয়ান।
আজ (শুক্রবার) পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ১২৭ রানের জবাবে প্রথম উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান। সফরকারীদের সংগ্রহ ৩ ওভারে ১ উইকেটে ১৬ রান।
দুর্দান্ত ডেলিভারিতে রিজওয়ানের স্টাম্প ওড়ালেন মোস্তাফিজ। সুইং করে ভেতরে ঢোকা বল বুঝতেই পারেননি পাকিস্তানি ওপেনার। বল সরাসরি অফ স্টাম্পে আঘাত করলে উড়ে গিয়ে পড়ে অনেকটা দূরে। বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ১১ বলে ১ বাউন্ডারিতে ১১ রান করেন রিজওয়ান।
ব্যাটিংয়ে সেই বাংলাদেশের ছবিই ফুটে উঠলো!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর প্রথম ম্যাচ। ‘বদলের ডাক’ শুনিয়ে নতুন শুরুর প্রত্যাশায় ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। কিন্তু ব্যাটিংয়ে সেই বাংলাদেশের ছবিটাই তো ফুটে উঠলো! কুড়ি ওভারের বিশ্ব আসরের পর টপ অর্ডারের ব্যর্থতার গল্পই নতুন করে সামনে এলো। তারপরও মিডল ও লোয়ার অর্ডারের পারফরম্যান্সে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে মাহমুদউল্লাহরা।
আজ (শুক্রবার) পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৭ রান করেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আহামরি সংগ্রহ না হলেও মিরপুরের এই স্কোরই আশাজাগানিয়া। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ দুই সিরিজই তার প্রমাণ!
তবে এবারের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। স্পিন ও স্লো উইকেটে যাদের খেলা নিয়মিত। সেই দিক থেকে চিন্তা করলে বোলারদের জন্য পর্যাপ্ত রানের ব্যবস্থা করতে পারলেন কই বাংলাদেশের ব্যাটাররা। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যাটারদের ব্যর্থতা ঢাকা পড়েছিল বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও ব্যর্থ টপ অর্ডার।
লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিমকে বাদ দিয়ে যাদের নেওয়া হয়েছে, তাদের কেউই কিছু করতে পারেননি। অভিষিক্ত সাইফ হাসান ১, নাঈম শেখ ১ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৭- এই হলো টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারের পারফরম্যান্স। হতাশ করেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও (৬)। তারপরও রান ১২৭ পর্যন্ত গিয়েছে আফিফ হোসেন (৩৬), শেখ মেহেদী হাসান (৩০*) ও নুরুল হাসান সোহানের (২৮) কার্যকরী তিন ইনিংসে।
পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার হাসান আলী। এই পেসার ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ৪ ওভারে ২৪ রান খরচায় ২ উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজ।









