জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই জানা ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। সেরা কম্বিনেশন খুঁজে বের করার স্বার্থে এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যেতেই পারে! কিন্তু ৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ২-২ সমতা। এমনটা বোধ করি স্বপ্নেও কেউ ভাবেননি।
দলের অধিনায়ক মাশরাফিও বলেছিলেন, আগে জয় নিশ্চিত করা। তারপরই পরীক্ষা-নিরীক্ষা। গত বছর যেখানে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। এমন একটি দল কিনা নতুন বছরের শুরুতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিততে ব্যর্থ হলো! অথচ এই জিম্বাবুয়ে আইসিসির সহযোগী রাষ্ট্র আফগানিস্তানের কাছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরে বাংলাদেশে এসেছে। এমন একটি দলের বিপক্ষে সিরিজ হেরে এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের আগে টাইগারদের মনোবলে চিড় ধরবে এমনটা ভাবছেন সবাই।
মাশরাফি অবশ্য সরল বক্তব্যে গেলেন না। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানালেন, 'এশিয়া কাপের আগে এভাবে ম্যাচ হার অবশ্যই শঙ্কার বিষয়। জয়ের মধ্যে থাকা দলের ক্ষেত্রে এটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তারপরও এশিয়া কাপের একমাস বাকি। চেষ্টা করবো এই এক মাসে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার।’
পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিরিজে অদ্ভুত সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্ট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে ৫টি পরিবর্তন আনা হয়েছিল দলে। তামিম ইকবালকে বসিয়ে রেখে সুযোগ দেওয়া হয় ইমরুলকে। এছাড়া চার নতুন মুখের অভিষেক ঘটানো হয় এক ম্যাচেই। প্রধান কোচ হাথুরুসিংহের এতো সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা মুখ থুবড়ে পড়েছে শুক্রবার চতুর্থ ম্যাচ হারার পর!
শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় খুলনার দর্শকরা যেন মাঠে হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৯ হাজার দর্শক ধারণের ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও মাঠে উপস্থিত ছিলেন ১২-১৩ হাজার। কিন্তু টাইগারদের নিয়মিত জয় দেখার অভ্যাস হয়ে উঠা দর্শকরা এদিন বাড়ি ফিরলেন ভগ্ন মনোরথে।
/এমআর/








