বিসিএলে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। বুধবার শেষ দিনে মধ্যাঞ্চলের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ৫ উইকেট। অন্যদিকে হার এড়াতে উত্তরাঞ্চলের বাকি ৫ উইকেট নিয়ে টিকে থাকতে হবে পুরো ৯০ ওভার! যা এক কথায় অসম্ভব। মধ্যাঞ্চলের দেওয়া ৩৪৫ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে একমাত্র তানজিদ হাসান তামিমই লড়াই করতে পেরেছেন। জুনিয়র তামিম সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থেকে আউট হতেই ম্যাচ বাঁচানোর স্বপ্নটা ফিকে হয়ে গেছে উত্তরাঞ্চলের।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার সকালে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন সৌম্য। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি করে ১০৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটার ১৪৮ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। অন্যদিকে সালমান আউট হন ৫৩ রানে। সালমানের আউটের পর মোসাদ্দেক ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করেছেন। ৫৭ বলে করেছেন ৫০ রান। নামের পাশে আছে ৩টি করে চার ও ছক্কা। সবমিলিয়ে মধ্যাঞ্চল ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৬৩ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। তাতে দলটির লিড দাঁড়ায় ৩৪৪ রান।
বিশাল এই রান পাহাড়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় উত্তরাঞ্চল। যদিও দ্বিতীয় উইকেটে তানভীর হায়দারকে সঙ্গে নিয়ে জুনিয়র তামিম দারুণ শুরু পেয়েছিলেন। তবে মধ্যাঞ্চলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ফের বিপর্যয়ে পড়ে তারা । এক প্রান্ত দাঁড়িয়ে তামিম লড়াই করলেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। তৃতীয় উইকেট হিসেবে তামিম বিদায় নেন ৯০ রান তুলে। তৃতীয় দিন শেষে উত্তরাঞ্চলের সংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান। এখনও ১৭২ রানে পিছিয়ে তারা।
এর আগে রবিউল হক ও শুভাগত হোমের বোলিংয়ের সামনে ২১৯ রানেই থেমে যায় উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে।









