প্রথম ইনিংসে ৩৪৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয়বার বিসিবি উত্তরাঞ্চলকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। বিশাল এই রান পাহাড়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় উত্তরাঞ্চল। হার এড়াতে ৫ উইকেট নিয়ে পুরো দিন টিকে থাকলেই হতো। কিন্তু হাসান মুরাদের ঘূর্ণি জাদুতে ২৭৪ রানে অলআউট হয়ে গেছে বিসিবি উত্তরাঞ্চল। ফলে ইনিংস এবং ৭০ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে মধ্যাঞ্চল।
ম্যাচ জেতায় ৮ পয়েন্ট পেয়েছে মধ্যাঞ্চল। এছাড়া ইনিংস ব্যবধানে জেতায় বোনাস এক পয়েন্ট পেয়ে তাদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৯।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বুধবার ১৭২ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নামে উত্তরাঞ্চল। দিনটি নিজেদের করে নিতে মার্শাল আইয়ুব ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটে তাকিয়ে ছিল পুরো দল। হতাশ করেননি দুই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। মধ্যাঞ্চলের বোলারদের হতাশ করে অনায়াসে ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ১৬৩ বলে ২৫ রান করা মাহিদুল বিদায় নিলে উত্তরাঞ্চলের ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায় তখনই। সঙ্গীকে হারিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে মার্শালও বিদায় নেন। আউট হওয়ার আগে ২৪৬ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এর আগে যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৯০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
মধ্যাঞ্চলের বোলাদের মধ্যে ৭৪ রানে নেন ৬টি উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ। এছাড়া রবিউল হক নেন তিনটি উইকেট।
প্রথম ইনিংসে রবিউল হক ও শুভাগত হোমের বোলিংয়ের সামনে ২১৯ রানে থেমে যায় উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে।
জবাবে খেলতে নেমে মধ্যাঞ্চল মিজানুর রহমান (১৬২), মোহাম্মদ মিঠুন (১৭৬) ও সৌম্য সরকারের (১০৪*) সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ৫৬৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে।









