নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে এবার বাধ্যতামূলক সাতদিনের কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু স্পিন বোলিং পরামর্শক রঙ্গনা হেরাথের করোনা আক্রান্তের কারণে পুরো দলকে ১১ দিন এবং হেরাথকে ১৪ দিনের ‘ঘর বন্দি’ জীবন কাটাতে হয়েছে। বাংলাদেশ দল তিন দিন আগে মুক্ত হলেও রবিবার ‘বন্দি জীবন’ থেকে ছাড়া পেয়েছেন লঙ্কান এই স্পিনার।
রবিবার বাংলাদেশের স্পিন বোলিং পরামর্শক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করে এরই মধ্যে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার পর পরই হেরাথ কোভিড পরীক্ষায় পজিটিভ হন। যে কারণে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয় পুরোপুরি। তার পর নিউজিল্যান্ডের এমআইকিউ সেন্টারে তাকে ১৪ দিনের বন্দি জীবন কাটাতে হয়।
এদিন গণমাধ্যমে সাবেক এই লঙ্কান স্পিনার বলেছেন, ‘এমআইকিউ সেন্টার থেকে আজই ছাড়া পেয়েছি। আমি দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে দারুণ খুশি। ১৪ দিন কড়া নিয়মের মধ্যে কোয়ারেন্টিন কাটাতে হয়েছে। এখন মুক্তির আনন্দে আমি উচ্ছ্বসিত। সামনের সিরিজের জন্য মুখিয়ে আছি।বিসিবি এবং নিউজিল্যান্ডের হেলথকেয়ারকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা আমার বিশেষ সেবা করেছে।’
নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ যে ফ্লাইটে গেছে, সেখানেই একজনের করোনা ধরা পড়েছিল। তার সংস্পর্শে আসায় বাংলাদেশ দলের টেস্ট ও স্টাফ মিলিয়ে মোট ৯ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়। যাদের মধ্যে একমাত্র হেরাথই করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন।









