বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ওয়ানডে ফরম্যাটের প্রতিযোগিতাতেও দারুণ শুরু করলো সাকিবদের ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। আশরাফুলদের ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলকে ২২ রানে হারিয়েছে তারা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় মধ্যাঞ্চল ১৭৭ রান করে। সহজ এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে স্পিনারদের ঘূর্ণিতে ৪৭.১ ওভারে ১৫৫ রানে অলআউট হয় পূর্বাঞ্চল।
রবিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৭৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১ রানে আশরাফুল বিদায় নিলেও দ্বিতীয় উইকেটে বড় জুটিই পেয়েছিল পূর্বাঞ্চল। ইমরুল কায়েস ও রনি তালুকদার মিলে ৬৫ রানের জুটি গড়েন। ইমরুল ২৫ রানে আউট হতেই ফিরে যান রনি তালুকদার। ইমরুল ৪৮ বলে ২৫ এবং রনি ৬০ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন। মিডল অর্ডারে ইরফান শুক্কুর ৩১ ও নাদিফ চৌধুরী ৫৪ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেন। তবুও ম্যাচেই ছিল পূর্বাঞ্চল। কিন্তু ৭ বলের ব্যবধানে ৮ রানে শেষ তিন উইকেট হারিয়ে ২২ রানের হার দেখেন আশরাফুলরা।
মধ্যাঞ্চলের বোলারদের মধ্যে সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, হাসান মুরাদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। মোসাদ্দেক হোসেন ও আবু হায়দার রনি নেন একটি করে উইকেট। ১৭ রানের ইনিংস খেলা মোসাদ্দেক ১০ ওভারে ১৩ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার পান।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে খেই হারায় মধ্যাঞ্চল। উইকেটে নেমে ১৫ ওভার না যেতেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল তারা। এরপর ইনিংসের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ মিঠুন। দু’জনের জুটিতে ১২৩ রানে পৌঁছায় লংগার ভার্সনের চ্যাম্পিয়নরা। যদিও ৪৩.২ ওভারে ১৭৭ রানে থামতে হয়েছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দলকে। সেখানে সাকিবের অবদান ৩৫ রান। ৫৮ বলে ২ চারে তিনি নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন মোহাম্মদ মিঠুন। মিজানুর রহমানের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান।
ইসলামী ব্যাংকের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট করে নেন রুবেল হোসেন ও রেজাউর রহমান রাজা।








