২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া সাব্বির রহমান দাপটের সঙ্গেই খেলে যাচ্ছিলেন। একাদশে ছিলেন ‘অটোমেটিক চয়েজ’। কিন্তু মুদ্রার উল্টোপিঠ দেখতে সময় লাগেনি। শৃঙ্খলাভঙ্গ আর ফর্মহীনতায় সেই সাব্বির এখন জাতীয় দলে ব্রাত্য। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের পর সুযোগ পাননি আন্তর্জাতিক ম্যাচে। আসন্ন বঙ্গবন্ধু বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নামবেন ৩০ বছর বয়সী ব্যাটার। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি এই প্রতিযোগিতাকে জাতীয় দলে ফেরার মঞ্চ হিসেবে দেখছেন সাব্বির।
আজ (বুধবার) মিরপুরের একাডেমিতে অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমকে সাব্বির বলেছেন, ‘শুধু আমার জন্য নয়, যারা জাতীয় দলের বাইরে আছে, সবার জন্য সবচেয়ে বড় মঞ্চ এই বিপিএল। আশা করি, সবাই ভালো খেলে কামব্যাক করতে পারবে। আমিও যেন ভালো খেলে কামব্যাক করতে পারি, সেই লক্ষ্য নিয়েই বিপিএল খেলবো।’
দুই দিন হলো চট্টগ্রাম অনুশীলন শুরু করেছে। তবে দলের সঙ্গে আজই যুক্ত হয়েছেন সাব্বির। প্রথম দিনের অনুশীলনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন তিনি এভাবে, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ভালো লাগছে। অনেক দিন পর দলের সঙ্গে অনুশীলন করছি। কবে অনুশীলনে নামবে, এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই অপেক্ষায় ছিলাম। আজ আমার প্রথম অনুশীলন। সব মিলিয়ে দারুণ অনুভূতি।’
গত অক্টোবরে সাব্বির সর্বশেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছিলেন। কিছুদিন আগে শেষ হওয়া বিসিএলের লংগার ভার্সন ও ৫০ ওভারের প্রতিযোগিতায় দলও পাননি তিনি! তবে বসে থাকেননি এই ব্যাটার। রাজশাহীতে নিজ উদ্যোগে নিয়মিত অনুশীলন করেছেন তিনি, ‘বিপিএলের জন্য গত তিন মাস ধরে রাজশাহীতে অনুশীলন করেছি। ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছি। যেগুলো দরকার শট খেলার বা যে দুর্বলতা ছিল, সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি। আশা করি, বিপিএলটা ভালোভাবে কাটাতে পারবো।’
চট্টগ্রাম দলে নেই কোনও লেগ স্পিনার। সাব্বির ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ স্পিনেও দক্ষ। সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১২১ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। ব্যাটার হলেও হাত ঘুরিয়ে ৯টি উইকেট আছে। বিপিএলেও প্রস্তুত আছেন লেগ স্পিনারের অভাব দূর করতে, ‘অবশ্যই, অনুশীলন করেছি, বোলিংও করেছি। রাজশাহীতেও বোলিং করেছি। যদি দরকার হয় অবশ্যই বোলিং করবো।’









