ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলবেন বলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট সিরিজ থেকে ‘ছুটি’ নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত আইপিএলের মেগা নিলামের দুই দিনে বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে কিনতে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখায়নি। অবিক্রিত সাকিব কি এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবেন নাকি ছুটি নেওয়া সময়টা নিজের মতো করে কাটাবেন? বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু না জানালেও সবকিছু নির্ভর করছে সাকিবের ওপরই।
ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘টেস্ট দল নিয়ে সাকিব তো আগেই বলে দিয়েছে। সে থাকতে পারবে না। এখনও আগের অবস্থানেই আছে। সে তো বলেই দিয়েছে সে যাবে না (দক্ষিণ আফ্রিকায়)।’
সাকিব বেশ কিছুদিন আগেই বিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলবেন না। বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও সাকিবের আগের অবস্থান সম্পর্কেই অবগত। তবে যেহেতু সাকিব আইপিএলে দল পাননি, পুনরায় তার সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে কথা বলবে বিসিবি।
জালালের ভাষায়, ‘এখন বিষয়টা তার (সাকিব) ওপর নির্ভর করছে। তার কাছে আমরা তার অবস্থান সম্পর্কে আবার জানতে চাইবো। সে যেতে চাইলে অবশ্যই যাবে। সাকিব আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।’
বিপিএলে ব্যাটিং-বোলিংয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছেন সাকিব। টানা ৫ ম্যাচে সেরার পুরস্কার জিতেছেন। বিশ্বরেকর্ড গড়া এমন কীর্তির পরও আইপিএল নিলামে তাকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি কেউ। দুই দিনই বাঁহাতি অলরাউন্ডারের ব্যাপারে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনীহা ছিল। আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিরা আগামী তিন বছরের জন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। মূলত এই সময়টাতে যারা ফিট ও স্কিলফুল থাকবেন, তাদেরকেই বেছে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।
যদিও আইপিএলে দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই খেলোয়াড়ের চাহিদা বেশি হওয়ার কথা। তবে কুড়ি ওভারের প্রতিযোগিতাটির পুরো মৌসুমে সাকিবকে পাওয়া যেতো না, তার দল না পাওয়ার এটা অন্যতম কারণ।









