বিগ ব্যাশে প্রথমবার ওপেনিংয়ে ব্যাট করেছিলেন সুনীল নারিন। এরপর বিভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজি লিগে প্রায়ই ওপেনার হিসেবে দেখা গেছে ক্যারিবীয় অলরাউন্ডারকে। বিপিএলে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়েও বেশ কিছু ম্যাচে ওপেন করেছেন। তবে চলতি আসরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জার্সিতে এবারই প্রথম ইনিংস শুরুর সুযোগ পান। আর নেমে করলেন বাজিমাত। বিপিএলের রেকর্ড গড়েছেন ১৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করে। আজ (বুধবার) দুর্দান্ত ইনিংস খেলার পর নারিন জানালেন, ওপেনিংয়ে নামার প্রস্তাব পেয়ে দারুণ খুশি হয়েছিলেন ক্যারিবীয় তারকা।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বোলারদের পাড়ার বোলার বানিয়ে ছাড়েন নারিন। ১৩ বলে হাফসেঞ্চুরির পথে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় নারিন তুলে ফেলেছিলেন ৪৭ রান। এরপর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর প্রথম বলে ছক্কা মেরে তুলে ফেলেন বিপিএলের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ৫ ছয় ও ৬ ছক্কায় ১৬ বলে ৫৭ রানে থামেন নারিন। ১৬ বলের ইনিংসে মাত্র চারটি ডট বল দিয়েছেন ক্যারিবীয় ব্যাটার। মূলত তার দানবীয় ইনিংসেই ৪৩ বল আগে জয়ের দেখা যায় কুমিল্লা।
ওপেনিংয়ে সুযোগে পেয়ে দারুণ খুশি এই ব্যাটার। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বলেছেন, ‘না (পরিকল্পিত ছিল না ওপেনিংয়ে নামা)। তবে আমাকে যখন বলা হলো, আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম। কারণ মাত্র দুজন ফিল্ডার বাইরে থাকে। একবার শুরুটা ভালো করতে পারলে, এরপর ভালো করা সম্ভব।’
চট্টগ্রাম ব্যাটিংয়ে গিয়ে সংগ্রাম করলেও কুমিল্লার সেই অর্থে কোনও সমস্যাই হয়নি। অনায়াসে ম্যাচ জিতেছে দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। উইকেট নিয়ে নারিন বলেছেন, ‘উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। খুব বেশি স্পিন ধরেনি। বিশেষ করে, দিনের বেলার চেয়ে রাতের বেলায় বল ব্যাটে আসে তুলনামূলক বেশি ভালোভাবে।’
ব্যক্তিগত অর্জন পাশে রেখে দলের জয়ই বড় করে দেখছেন এই অলরাউন্ডার, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জয়। এটিই সবকিছুর ওপরে। এরকম পারফরম্যান্সের দিনে জয়ী হতে পারাটাই আসল ব্যাপার। ফাইনালে উঠতে পারাটা দারুণ।’









