ওয়ানডে সিরিজের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টিতেও টেনে এনেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে আফগানদের হারিয়ে দিয়েছে ৬১ রানের ব্যবধানে। সফরকারীদের ৯৪ রানে অলআউট করতে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের ঘূর্ণি জাদুই ছিল মূল প্রভাবক। অবশ্য চট্টগ্রামে ওয়ানডে সিরিজেও স্পিনারররা যথেষ্ট ভালো বোলিং করেছিল। তাই স্পিনারদের মানসিকতা নিয়ে দারুণ খুশি বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ।
শুক্রবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান এই স্পিনিং গ্রেট বলেছেন, ‘আমি সবসময় মানসিকতা নিয়ে ভাবি। কন্ডিশন আমাদের অনুকূলে হোক বা না হোক, আপনাকে বুঝতে হবে এবং কন্ডিশন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সেক্ষেত্রে, এটা টার্নিং উইকেট হোক বা না হোক, আপনাকে বোলারদের ভূমিকাটা বুঝতে হবে। তাদের নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে স্বচ্ছতা আছে। এ কারণেই তারা ভালো করেছে।’
শিষ্যদের প্রশংসা করতে গিয়ে রঙ্গনা হেরাথ আরও বলেছেন, ‘একজন শ্রীলঙ্কান হিসেবে আমি অনেক বছর আমার দেশের হয়ে খেলেছি এবং আমি বিশ্বাস করি, যখনই আপনি সেই সুযোগ পাবেন, অবশ্যই দেশকে কিছু দিতে হবে। এই ক্ষেত্রে, ছেলেরা ভালো করছে এবং আমি নিশ্চিত যে তারা মানসিকভাবে একটি ভালো ফ্রেমে আছে।’
এখন দেশের বাইরের যে কোন কঠিন কন্ডিশনেও এই মানসিকতা ঠিক থাকলে সাফল্য পাওয়া সহজ বলে মনে করেন লঙ্কান সাবেক এই ক্রিকেটার, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করি আপনি যেখানেই খেলছেন- বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ড; আপনার মানসিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন দেশের জন্য খেলছেন, তখন এটা একটা দায়িত্ব এবং যা আপনার ভূমিকা পালন করে সেগুলো বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসরে বাংলাদেশ ভালো করতে পারেনি। সুপার টুয়েলভের সবগুলো ম্যাচেই হারতে হয়েছে। এই বছর আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসন্ন। আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে কুড়ি ওভারের টুর্নামেন্ট। ভিন্ন কন্ডিশনে সাফল্য পাওয়ার জন্য সামনে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানালেন বাংলাদেশর স্পিন কোচ, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আমাদের কয়েকটি ম্যাচ আছে। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপের আগে যদি আরও কিছু প্রস্তুতি থাকে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমি নিশ্চিত বিসিবি এটা নিয়ে কাজ করবে।’









