`ক্যাপ্টেন্স নক’ বলতে যা বোঝায় তার জ্বলজ্বলে উদাহরণ উপস্থাপন করেছেন ইউল্যাব অধিনায়ক হাসানুজ্জামান। আজ বৃহস্পতিবার নবম ইউল্যাব ফেয়ার প্লে কাপ ক্রিকেটে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে ১৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় উদযাপন করেছে তারা। আর এ জয়ের মূলে ছিল অধিনায়ক হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্য। ব্যাট হাতে করেছেন ৩৬ বলে ৭৬ এবং বল হাতে ২ ওভারে নিয়েছেন একটি উইকেট। ম্যাচ সেরার দৌঁড়েও তিনি ছিলেন সর্বাগ্রে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েই দলের সাফল্য উদযাপন করেছেন অধিনায়ক।
ইউল্যাবে এমবিএ করছেন হাসানুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গেঁথে রয়েছে তার অনেক স্মৃতি। টানা ছয় মৌসুম খেলছেন ফেয়ার-প্লে কাপ ক্রিকেটের আসরে। আর এবারই প্রথম এ আসরে নিয়েছেন অধিনায়কত্বের গুরু দায়িত্ব। আর তাই দলের সাফল্যে সেরা নৈপুণ্য দেখাতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দিত তিনি। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংল্যান্ড সফরে আমি অধিনায়কত্ব করেছি তবে ফেয়ার-প্লে কাপে এটিই আমার প্রথম মিশন। দলের চূড়ান্ত সাফল্যই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আর আজ ব্যাট ও বল হাতে দলকে সেবা দিতে পারাটা আমার জন্য ছিল ‘ডাবল ডিলাইট’।’
ক্রিকেটই হাসানুজ্জামানের ধ্যান-জ্ঞান স্বপ্ন। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাটাও চালিয়ে যাচ্ছেন সমানে। প্রিমিয়ার লিগে ভিক্টোরিয়ার হয়ে খেলেছেন শেষ মৌসুম। ক্রিকেট নিয়েই যেন তার যত চিন্তা। এ নিয়ে হাসান বলেন, ‘ফেয়ার প্লে কাপ ক্রিকেট যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাঝে কী পরিমাণ উদ্দীপনা তৈরি করে তা বলে বোঝানো যাবে না। এবারতো মনে হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মান আরও উঁচু। বেশক’টি বিশ্ববিদ্যালয় খুবই ভালো দল গড়েছে। ভালো ভালো খেলোয়াড় চোখে পড়ছে। দেশের ক্রিকেটের মান প্রতিফলিত হয় এখানে। অনেক অ-পেশাদার খেলোয়াড় যারা হয়তো লিগে বা অন্য কোথাও খেলে না তারা তাদের যোগ্যতাটা অন্তত প্রমাণ করে এখানে।’
দলকে শিরোপা পাইয়ে দিয়েই থামতে চান অধিনায়ক। তিনি আরও বলেন, ‘২০১২ সালে বেশ একটা বড় বিরতির পর ইউল্যাব শিরোপা জিতেছিল। সেটিই আমার সবচেয়ে মধুর স্মৃতি। এবার তার পুনরাবৃত্তি করে তাকেও ছাপিয়ে যেতে চাই।’
/আরএম/এফআইআর/








