প্রথম ওয়ানডেতে ৩১৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। শরিফুল ইসলাম-তাসকিন আহমেদ মিলে দলীয় ৩৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নিতে পেরেছিলেন। শুরুর এই চাপ সামাল দিয়ে জুটি গড়ে খেলছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। ২৪ ওভারে ৩ উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১১০ রান। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ক্রিজে আছেন ৫৫ রানে, তেম্বা বাভুমা ২৮ রানে।
বড় লক্ষ্যে দুই ওপেনার জানেমান মালান ও কাইল ভেরিয়েনে সতর্ক থেকেই খেলছিলেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারে শরিফুলের বলে শেষ রক্ষা হয়নি মালানের। ৪ রানে মুশফিককে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। এই ক্যাচ নিয়ে রিভিউয়ের ঘটনাও ঘটেছে। শুরুতে আম্পায়ার সফট সিগনালে নটআউট দিলেও রিভিউতে পাল্টায় অনফিল্ডার আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। একই ওভারে ভেরিয়েনের শট টপ এজ হয়ে বাতাসে উঠলেও সেটি ছক্কা হয়ে গেছে পরে।
নবম ওভারে প্রোটিয়াদের আরও বিপদে ফেলে দেন তাসকিন। তার দুর্দান্ত গতির কাছে পুরোপুরি পরাস্ত হন ওপেনার ভেরিয়েনে। এলবিডাব্লিউ হয়ে ২১ রানে ফিরেছেন। দুই বল পর তাসকিন তুলে নেন নতুন ব্যাটার এইডেন মারক্রামের (০) উইকেটটিও! পয়েন্টে মিরাজের কাছে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন এই ব্যাটার। তাতে বিশাল লক্ষ্যের বিপরীতে পাওয়ার প্লেতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। পাশাপাশি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংও প্রোটিয়াদের খোলসবন্দি রাখে অনেকক্ষণ। ধীরে ধীরে চাপে পড়ে যাওয়া পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও বাভুমা। জুটি গড়ে খেলছেন তারা। ডুসেন তো ১১তম হাফসেঞ্চুরি তুলে ফেলেছেন।
সেঞ্চুরিয়নে শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নামলেও প্রোটিয়াদের ৩১৫ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় সফরকারী দল। সেঞ্চুরিয়নে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ৩১৪ রান।
ঢিমেতেতালায় শুরুর পর ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসেন তামিম-লিটন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ৯৫ রানের রেকর্ড ওপেনিং জুটিও গড়েন তারা। পরে ছন্দপতন ঘটলেও ইনিংসটা ভালো জায়গায় পৌঁছাতে বড় অবদান সাকিব আল হাসান ও ইয়াসির আলীর শত রান ছাড়ানো জুটির। ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটিও ছিল এটি। ১১৫ রানের এই জুটির পর মেহেদী মিরাজ-তাসকিন আহমেদের শেষের কার্যকারিতায় ইনিংসটা পেয়েছে অনতিক্রম্য একটা জায়গা। কারণ, সেঞ্চুরিয়নে ৩১৯ রান তাড়া করে জেতার নজির একটিই। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই রান তাড়ায় জিতেছিল প্রোটিয়ারা।









