চমৎকার বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার লাগাম টেনে ধরেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ব্যাটিংয়ে নেমেও আলো ছড়াচ্ছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। সেঞ্চুরিয়নে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটে ছুটছে রানের চাকা। ১০ ওভারে ‘ফিফটি’ পূরণ করে লক্ষ্যের পথে দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে সফরকারীরা। ইতিমধ্যে তামিম পূরণ করেছেন হাফসেঞ্চুরি।
আজ (বুধবার) তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ১৫৪ রানে অলআউট হয়েছে। সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ২০ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে করেছে ১২৪ রান।
জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত- এই সমীকরণ সামনে রেখে সেঞ্চুরিয়নের শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে এবারের সফরের আগে কোনও জয় ছিল না, সেই দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জেতার হাতছানি- কম কথা নয়। বোলিংয়ে কিন্তু সেই কাজটা সেরে রেখেছে। সেঞ্চুরিয়নের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে এককথায় বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। করোনাভাইরাসের প্রকোপে সব ক্রিকেট যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাসকিন ছিলেন নিজেকে ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে। চোট ও ফর্মহীনতায় হুমকির মুখে পড়ে যাওয়া ক্যারিয়ার এমনভাবে ছন্দে ফেরালেন যে, তার পেস আগুনে প্রতিনিয়ত দগ্ধ হচ্ছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে প্রোটিয়া ব্যাটারদের যেমন বেহাল অবস্থা। তার তোপে দাঁড়াতেই পারেননি কেউ! ৯ ওভারে মাত্র ৩৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছেন এই পেসার।
জোড়া আঘাতে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন তাসকিন। ২৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ডেভিড মিলারকে আউট করে প্রোটিয়াদের আরও বিপদে ফেলেন ডানহাতি পেসার। দুই বল পর কাগিসো রাবাদাকে আউট করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট পূরণ করেন ২৬ বছর বয়সী পেসার। সাকিব আল হাসানও আলো ছড়িয়েছেন, ৯ ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট। আর একটি করে উইকেট শিকার শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের।
বাংলাদেশের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়া প্রোটিয়া ব্যাটারদের পাঁচজন যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। যেখানে সর্বোচ্চ ৩৯ রান জানেমান মালানের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান কেশব মহারাজের।









