ডারবান টেস্টের প্রথম ইনিংসে ফিল্ডিংয়ে ‘লেটার মার্ক’ পাবে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের করা রান আউটের কথাই ধরা যাক না। ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিল্ডিংয়ের পর দুর্দান্ত থ্রোতে স্টাম্প ভেঙেছিলেন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে লাঞ্চের আগে হাহাকার হয়ে থাকবে সম্ভবত এই ফিল্ডিং-ই। ইস, যদি ক্যাচটি নিতে পারতেন ইয়াসির আলী!
প্রথম ইনিংসে আগ্রাসী ব্যাটিং করেছিলেন ডিল এলগার। পেয়েছিলেন হাফসেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলছেন এবং তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২১তম ফিফটি। কিন্তু হাফসেঞ্চুরির আগেই বিদায় নিতে পারতেন দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট অধিনায়ক। ৪৩ রানে ‘দ্বিতীয় জীবন’ পেয়েছেন তিনি ইয়াসিরের সৌজন্যে।
কয়েক ওভার আগেই বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছিলেন এবাদত হোসেন। এই পেসারের সামনে আবার এসেছিল উইকেট উদযাপনের উপলক্ষ। কিন্তু ইয়াসির ক্যাচ মিস করার হয়নি তা। ব্যাটার ছিলেন এলগার। এবাদতের বল প্রোটিয়া ব্যাটারের ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায়। দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো ইয়াসির দুই হাত দিয়ে বল তালুতে জমানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। ক্যাচ মিসে ‘জীবন’ পান এলগার।
ওই ক্যাচটি নিতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়ে যেতো দক্ষিণ আফ্রিকা। কারণ কিছুক্ষণ আগেই বিদায় নিয়েছিলেন ওপেনার সারেল এরউই। তাকে হারানোর ধাক্কার মধ্যে শাসন করে চলা এলগারকে ফেরাতে পারলে বড় মোমেন্টাম পেয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। কিন্তু ইয়াসিরের ক্যাচ মিসে সেটি হয়নি।
আজ (রবিবার) ডারবান টেস্টের চতুর্থ দিনে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। লাঞ্চ বিরতির পর সাবলীলভাবে খেলে চলেছেন এলগার (৬৪*) ও কিগান পিাটারসেন (৩০*)। দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ৩৬ ওভারে ১ উইকেটে ১১৬ রান। তাতে লিড নিয়েছে ১৮৫ রানের।
প্রথম সেশনে বাংলাদেশের সাফল্য মাত্র একটি। আগের দিনের কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন দুই ওপেনার ডিন এলগার ও সারেল এরউই। যদিও এরউই বেশিদূর যেতে পারেননি। এবাদত হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন প্যাভিলিয়নে। ৫১ বলে ৮ রান করা প্রোটিয়া ওপেনারকে আউট দেননি ফিল্ড আম্পায়ার। তবে জোরালো আবেদন তোলা বাংলাদেশ রিভিউয়ে সফল হয়।









