তৃতীয় ওভারেই উইকেট উদযাপন করতে পারতেন খালেদ আহমেদ। যাকে আউট করে আসতে পারতো সাফল্য, সেই সারেল এরউইয়ের উইকেটই নিলেন এই পেসার। তার তোপে ১২তম ওভারে বাংলাদেশ পেয়েছে প্রথম সাফল্য।
আজ (শুক্রবার) পোর্ট এলিজাবেথে দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়ারা হারিয়েছে প্রথম উইকেট। স্কোর ২৪ ওভারে ১ উইকেটে ৯১ রান।
এলবিডব্লিউ হলেও আম্পায়ারের সৌজন্যে বেঁচে গিয়েছিলেন এরউই। এবার আর রক্ষা হয়নি। খালেদের শিকার হয়েই ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে। উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে প্রোটিয়া ওপেনারকে তিনি ফিরিয়েছেন ২৪ রানে। ৪০ বলের ইনিংসে এরউই মেরেছেন ৪ বাউন্ডারি।
রিভিউ না নিয়ে ভুল করলো বাংলাদেশ
পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের তৃতীয় ওভারেই উইকেট আসতে পারতো বাংলাদেশের। কিন্তু আফসোসে পুড়তে হলো। রিভিউ না নেওয়ায় উইকেট পাওয়া হয়নি। খালেদ আহমেদের বল সারেল এরউইয়ের পায়ে আঘাত করলে ওঠে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন। তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার আলাহুদিন পালেকার। কিন্তু পরে হকআইয়ে দেখা গেছে রিভিউ নিলেই আউট হয়ে যেতেন এরউই।
বোলার খালেদ ছিলেন ভীষণ আত্মবিশ্বাসী। রিভিউ নিতে বারবার ‘অনুরোধ’ করছিলেন অধিনায়ক মুমিনুল হককে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বোলারের কথায় খুব একটা আশ্বস্ত হতে পারলেন না। তাই উইকেটকিপার লিটন দাসের ইশারার অপেক্ষায় থাকলেন। সেখান থেকেও আসেনি জোরালো কিছু। দোটানায় থাকা মুমিনুল সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। শেষেমেশ যখন রিভিউয়ের সংকেত দিতে যাচ্ছিলেন, ততক্ষণে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ জানানোর সময় শেষ হয়ে গেছে। ফলে রিভিউ আর নেওয়া হয়নি। এরই সঙ্গে বড় ভুল করে বসে বাংলাদেশ। কারণ রিভিউ নিলেই আসতো প্রথম উইকেট।
হকআইয়ে দেখা গেছে, ব্যাটে না লাগা বল সরাসরি আঘাত করে স্টাম্পে। ফলে রিভিউ নিলে শুরুতেই উইকেট আসতো বাংলাদেশের ঘরে। সেসময় প্রোটিয়া ওপেনার এরউইয়ের রান ছিল মাত্র ৪।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে টস হেরেছে বাংলাদেশ। টস জয়ী প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফিল্ডিং দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের পোর্ট এলিজাবেথ টেস্ট।
তামিম ইকবাল সুস্থ হয়ে ওঠায় এই টেস্টে তার ফেরাটা অনুমিতই ছিল। বাঁহাতি ওপেনার ফেরায় জায়গা হারিয়েছেন সাদমান ইসলাম। অন্যদিকে তাসকিন আহমেদ চোটে ছিটকে যাওয়ায় আরেকটি পরিবর্তন ছিল প্রত্যাশিত। এই পেসারের জায়গায় স্পিন শক্তি বাড়াতে একাদশে যোগ করা হয়েছে স্পিনার তাইজুল ইসলামকে। বাংলাদেশের একাদশে এই দুটিই পরিবর্তন। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে পরিবর্তন নেই। ডারবান টেস্ট জয়ী একাদশ নিয়েই পোর্ট এলিজাবেথে নেমেছে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), ইয়াসির আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: ডিন এলগার (অধিনায়ক), সারেল এরউই, কেগান পিটারসেন, তেম্বা বাভুমা, রায়ান রিকেলটন, কাইল ভেরিয়েনে (উইকেটকিপার), উইয়ান মুল্ডার, কেশব মহারাজ, সাইমন হার্মার, লিজাড উইলিয়ামস, ডুয়ান ওলিভিয়ের।









