সময়টা একদমই ভালো কাটছে না ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডানের। শক্তিশালী দল গড়েও সাফল্য পাচ্ছে না দলটি। সোমবার সহজ প্রতিপক্ষ সিটি ক্লাবের বিপক্ষে কোনোরকমে ৫ রানের জয় পেয়েছে তারা। এই জয়ে অবশ্য ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগে খেলার স্বপ্ন বেঁচে থাকলো দলটির!
তবে দুটি সমীকরণ মিললেই কেবল মোহামেডান যেতে পারে সুপার লিগে। ১৪ এপ্রিল পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ নম্বরে থাকা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের সঙ্গে হারতে হবে রূপগঞ্জ টাইগার্সের। পাশাপাশি ১৫ এপ্রিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে জিততে হবে মোহামেডানকে। এই দুই সমীকরণ মিললেই কেবল মোহামেডান খেলতে পারবে সুপার লিগে।
মোহমেডানের দেওয়া ২২৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে সিটি ক্লাবের অধিনায়ক জাওয়াদ রোয়েন ব্যাটে ম্যাচটা বের হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সৌম্যর করা ৪৯তম ওভারের চতুর্থ বলে স্লোয়ারটি বুঝতে ভুল করেন জাওয়াদ। তার এই ভুলেই ৫ রানে জয় নিশ্চিত করে মোহামেডান। ওপেনিংয়ে নামা তৌফিক খান ৫০ রানের ইনিংস খেললেও মূল লড়াইটা করেন সিটি ক্লাবের অধিনায়ক। ৯২ বলে ৬ চারে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন জাওয়াদ। সব মিলিয়ে ৪৮.৪ ওভারে ২২৩ রানে থামে সিটি ক্লাবের ইনিংস।
হাসান মুরাদ ৩৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে মোহামেডানের জয়ের নায়ক। ম্যাচসেরার পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী শুভ, নাজমুল ইসলাম ও সৌম্য সরকার ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি মোহামেডান। ৫৩ রানে টপ অর্ডারের ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। বরাবরের মতো এই ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য-রনিরা। পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজকে পরিবর্তে দলে আসা কুশল মেন্ডিস ৮ রানের বেশি করতে পারেননি। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ (৯) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। পাঁচ নম্বরে নেমে দলকে উদ্ধার করেন আব্দুল মজিদ। ডানহাতি ব্যাটার ৮৬ বলে খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস। এরপর শুভাগত হোমেন ৫৯ রানের ইনিংসের ভর করে মোহামেডান ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৮ সংগ্রহ করে।
বল হাতে সিটি ক্লাবের পেসার আব্দুল হালিম ৩ উইকেট নেন। ২ উইকেট পেয়েছেন রাজিবুল ইসলাম।








