বর্ণবৈষ্যমের অভিযোগ উঠেছিল গ্রায়েম স্মিথের বিরুদ্ধে। কিন্তু স্বাধীন কমিশন সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ও বোর্ডের (সিএসএ) সাবেক ক্রিকেট পরিচালককে।
অবশ্য এই ভিত্তিহীন অভিযোগ শুধু স্মিথকেই নয়, বিপদে ফেলে দিয়েছিল তার পরিবারকেও। শেষ পর্যন্ত সেসব মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক প্রোটিয়া ক্রিকেটার স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ, আমার নামটা কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। কারণ, দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু ক্রিকেটার হিসেবে নয়, প্রশাসক হিসেবে জীবনের ২০টা বছর দিয়েছি।’
অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ) গঠিত সোশাল জাস্টিস অ্যান্ড নেশন বিল্ডিং কমিশনের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে। সেখানে তিনটি অভিযোগের একটি ছিল সাবেক ক্রিকেটার থামি সোলেকিলের সঙ্গে বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণের। অধিনায়ক থাকার সময় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সোলেকিলের বদলে শ্বেতাঙ্গ এডি বি ভিলিয়ার্সকে নিয়েছিলেন স্মিথ। আরেকটি ছিল সিএসএ-তে তিনি কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের বিরোধী ছিলেন। তৃতীয়টি ছিল মার্ক বাউচারকে হেড কোচ নিয়োগের বেলায়। সব ক্ষেত্রে স্মিথের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়।
কিন্তু নিরপেক্ষ কমিশন ওই তিন অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন ৯৫ পাতার রিপোর্টে। সেখানে প্রতিটি অভিযোগে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক। পরে স্মিথ বলেছেন, তিনি নিজেও জানতেন এসব আসলে ভিত্তিহীন। কিন্তু এসব ভিত্তিহীন অভিযোগই পরিবারসহ তাকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ফেলে দিয়েছিল, ‘বর্ণবৈষম্যের এই ভিত্তিহীন অভিযোগ শোনার পরের সময়টা আমার ও পরিবারের জন্য খুব কঠিন ছিল। বলতে পারেন খুব ক্লান্তিকর আর বিভ্রান্তিকর ছিল সময়টা। যেহেতু তখন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট একটা পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ফলে প্রচুর দেখভালোর প্রয়োজন ছিল।’
আরও যোগ করে বলেছেন, ‘একটি স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে শক্তিশালী বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ায় সত্যিই আনন্দিত। এখন আমি পুরোপুরি কলঙ্কমুক্ত।’








