প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে দারুণ সময় কাটালেন এনামুল হক বিজয়। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক মৌসুমে ১ হাজারের বেশি রান করেছেন। বৃহস্পতিবার চলতি মৌসুমের শেষ ম্যাচেও হেসেছে তার ব্যাট। তবে মাত্র চার রানের জন্য লিগের চতুর্থ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। এনামুল ৯৬ রান করে আউট হলেও টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। প্রাইম ব্যাংকের এই দুই ব্যাটারের দারুণ ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়েই ৭৮ রানের বড় জয় পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার বিকেএসপিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ৩৫৫ রান তুলে প্রাইম ব্যাংক। সেই রান তাড়া করতে নেমে গাজী গ্রুপ থেমে যায় ২৭৭ রানে।
শেষ ম্যাচে রূপগঞ্জ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম-এনামুল। বৃহস্পতিবারও সেই পথে হাঁটছিলেন দু’জন। কিন্তু ২১৫ রানের জুটি হতেই এনামুল সাজঘরে ফিরেছেন। ৮৫ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৬ রানে আউট হন তিনি। তবে তামিমকে ২১তম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা যায়নি। ১৩২ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় ১৩৭ রান করেন এই ওপেনার। সবমিলিয়ে এনামুলের সঙ্গে তামিমের সময়টাও খুব ভালো কেটেছে।
এনামুলতো ইতিহাসও গড়েছেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক মৌসুমে বিশ্বের কোনও ব্যাটারই এক হাজার রান করতে পারেননি। সেখানে এনামুল থেমেছেন ১ হাজার ১৩৮ রান করে। সব মিলিয়ে ১৫ ম্যাচে ৮১.২৮ গড়ে এই রান করেছেন ডানহাতি ওপেনার। ৩ সেঞ্চুরির সঙ্গে তার রয়েছে ৯টি হাফ সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রান ১৮৪। লিগে সর্বোচ্চ ৯৭ চার ও ৪৭টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন এই ব্যাটার।
এনামুলের ৯৬ ও তামিমের ১৩৭ রানে দাঁড়িয়েই প্রাইম ব্যাংক ৩৫৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ২৭৭ রান করা গাজী গ্রুপের হয়ে লড়েছেন আল-আমিন ও মেহরব। আল-আমিন ৮৭ ও মেহরব ৭১ রান করেছেন।
প্রাইম ব্যাংকের হয়ে বল হাতে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলাম। এছাড়া রাকিবুল ও করিম জানাতের পকেটে গেছে ২টি করে উইকেট।









