ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আগেও খেলার মতো অবস্থায় ছিলেন না মাশরাফি। ভারতে হাঁটুর অস্ত্রোপচার করাতে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সার্জারি না করে দেশে ফেরেছেন। এই সময় প্রথম ম্যাচ বাদে বাকি সব ম্যাচেই খেলেছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অধিনায়ক। ১৪ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে ঢাকা লিগে যৌথভাবে অষ্টম সেরা বোলার তিনি। কিন্তু নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও কিছুটা আক্ষেপে পুড়ছেন তিনি।
সদ্য শেষ হওয়া লিগে মাশরাফি নিয়েছেন ২০ উইকেট। বোলিং গড় ২৯.৭৫, ইকোনমি ৫.৪৫ ও স্ট্রাইক রেট ৩২.৭। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মাশরাফি জানান, ফিট থাকলে আরেকটু ভালো করতে পারতেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে তো পারফর্ম করলে ভালো লাগে, অন্যরকম ভালো লাগছে। হয়তো আরেকটু ভালো করতে পারতাম, যদি ফিট থাকতাম। তবু ঠিক আছে, আলহামদুলিল্লাহ।’
দলকে রানার্সআপ করতে পেরেই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন মাশরাফি। তার কথা, ‘আমার কাছে মূল চ্যালেঞ্জ ছিল টিমটা নিয়ে। আমরা মডারেট একটা দল ছিলাম। সেখান থেকে লিগের চ্যাম্পিয়নশিপে শেষ ম্যাচের আগে আমরা ছিটকে গিয়েছি। যেটা সবসময় বলি, চ্যাম্পিয়ন হতে শুধু ভালো খেললে হয় না, একটু ভাগ্যও দরকার হয়। সেই ভাগ্যটা আমাদের হয়তো ছিল না। তবু আলহামদুলিল্লাহ, রানার্সআপ হয়েছি।’
মাশরাফির কাছে সেরা আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ৯ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে পাওয়া ৩ উইকেট। নিজের সেরা পারফরম্যান্স বাছাই করতে গিয়ে নড়াইল এক্সপ্রেস বলেছেন, ‘ওরকমভাবে তো খেয়াল করিনি। তবে আবাহনীর সঙ্গে ম্যাচটায় ভালো বোলিং করেছি। ওটাই টার্নিং পয়েন্ট ছিল। মাঝে যখন জুটি হচ্ছিল, তখন ৩ উইকেট পেলাম... ম্যাচটা জিতলাম, ওইটা আমার বেশি ভালো লেগেছে।’









