গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন সাইফউদ্দিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শারজার ওই ম্যাচের পর আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি। অবস্থা এমন যে শুধু একবারই নয়। পুরো ক্যারিয়ারে নানা সময় ইনজুরিতে ছিটকে যেতে হয়েছে পেস বোলিং অলরাউন্ডারকে।
দীর্ঘদিন বিরতির অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন। এখন বার বার ইনজুরির কারণে ছ্টিকে যাওয়াকে নিয়তি হিসেবেই মেনে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। রবিবার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনেই বিরতি থাকে। যারা অনেক ভাগ্যবান, তারা ইনজুরি ছাড়া অনেক দিন খেলে যেতে পারে। বেশিরভাগ পেস বোলারেরই এমন থাকে। জানি না আবার কয়দিন খেলতে পারবো। পারফরম্যান্স ও ইনজুরির ব্যাপার আছে। চেষ্টা করছি, কী হবে তা কারও হাতে নেই।’
এমন বিরতি কতটা কষ্ট দেয় এমন প্রশ্নে সাইফউদ্দিনের উত্তর ছিল এমন, ‘কিছুটা দুর্ভাগা তো বটেই। হয়তো আর পাঁচজন পেস বোলারের চেয়ে আমি কিছুটা আনলাকি। কিন্তু এটা জীবনেরই অংশ। এটা মেনে নিয়েই খেলতে হবে।’
সাইফউদ্দিন প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাচ্ছেন। আগামী ২৩ জুন সফরে যাওয়ার কথা ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের। তার আগে যতটা সম্ভব কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার, ‘আমার জন্য প্রথম। ওদের কন্ডিশন বা উইকেট আমার জানা নেই। তারপরও ইউটিউবে বিভিন্ন ম্যাচগুলোর হাইলাইটস দেখছি। যতটা সম্ভব ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রামে টেস্টের আগে নেটে বোলিং করেছেন সাইফউদ্দিন। তখন পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড তাকে কাছ থেকেই দেখেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোচের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ হয়নি, ‘না আসলে এখনো সেভাবে কাজ করা হয়নি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট যখন জহুর আহমেদে খেলা হয়েছিল, ওখানে অনুশীলনে গিয়েছিলাম। কিছুটা হাই-হ্যালো হয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তার সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি।’
মাঝে বিরতি পড়ে গেলেও আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না সাইফউদ্দিন। নিজের বোলিং নিয়ে এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগের পর লম্বা গ্যাপ ছিল। বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলিনি। প্রস্তুতির জন্য রাজশাহী গিয়ে একটা ম্যাচ খেলেছি। এটা টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। সবমিলিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী আছি।’









