শুরু থেকেই আগ্রাসী ইংল্যান্ড। জস বাটলার-ডেভিড মালান ঝড় থামার পর ধ্বংসের খেলায় মাতলেন জনি বেয়ারস্টো ও মঈন আলী। ব্রিস্টলে তাই টর্নেডো ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে ইংলিশরা।
ব্রিস্টলের প্রথম টি-টোয়েন্টি ৪১ রানে জিতেছে ইংল্যান্ড। বেয়ারস্টোর ৫৩ বলে ৯০ ও মঈনের ১৮ বলে ৫২ রানের ঝড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে প্রোটিয়ারা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ড শুরু থেকে ছিল আগ্রাসী। অধিনায়ক বাটলার ৭ বলে ২ ও সমান ছক্কায় খেলে যান ২২ রান। ধারার বিপরীতে ছিলেন কেবল জেসন রয়। এই ওপেনার ১৫ বলে করেন ৮ রান। ইংল্যান্ডের বাকি ব্যাটারা শুধু আগুন ঝরিয়েছেন ব্যাটে। মালান ২৩ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় খেলে যান ৪৩ রানের ইনিংস।
তবে সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন বেয়ারস্টো ও মঈন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বেয়ারস্টো ৫৩ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৮ ছক্কায় খেলেন ৯০ রানের ইনিংস। তার চেয়েও বিধ্বংসী ছিলেন মঈন। এই বাঁহাতি ব্যাটার মাত্র ১৮ বলে ২ চার ও ৬ ছক্কায় করেন ৫২ রান।
তাদের তাণ্ডবের মাঠেও লুঙ্গি এনগিদি পেয়েছেন ৫ উইকেট। যদিও ৪ ওভারে খরচ করেছেন ৩৯ রান।
২৩৫ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই হারায় কুইন্টন ডি ককের (২) উইকেট। রাইলি রোসোও (৪) ব্যর্থ। তবে আলো ছড়িয়েছেন রিজা হেনড্রিকস। এই ওপেনার ৩৩ বলে ৯ বাউন্ডারি ও এক ছক্কা করেন ৫৭ রান। ডেভিড মিলার ফেরেন মাত্র ৮ রান করে।
প্রোটিয়াদের স্কোর ১৯৩ হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ট্রিস্টান স্টাবসের। মাত্র ২৮ বলে তিনি খেলেন ৭২ রানের টর্নেডো ইনিংস। ২ চার ও ৮ ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস। এছাড়া আন্দিলে ফেলুকাও করেন ১৭ বলে ২২ রান।
ইংল্যান্ডের রিচার্ড গ্লিসন ৫১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এছাড়া রিস টপলি ও আদিল রশিদ দুজনই পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।









