লাগেজ এসে পৌঁছায়নি বলে ম্যাচ শুরু হয় তিন ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ১১টায় (বাংলাদেশ সময়)। বৃষ্টির ক্ষেত্রে যেমন প্রভাব থাকে, ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তেমন কিছু হয়নি যদিও। পুরো ম্যাচটা গড়িয়েছে ঠিকমতোই। এবার অবশ্য সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে স্বরূপে ফিরতে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪ বল হাতে রেখে ভারতকে হারিয়ে দিয়েছে ৫ উইকেটের ব্যবধানে। তাতে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে স্বাগতিক দল।
অবশ্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য দিয়েও ভালোই লড়াই উপহার দিয়েছিল রোহিত শর্মারা। ম্যাচ গড়িয়েছে শেষ ওভারে। ৬ বলে প্রয়োজন ছিল ১০টি রান। কিন্তু আবেশ খান ভুল করে বসেন প্রথম ডেলিভারিতে। নো বল দেওয়ায় ফ্রি হিটে কোনও ভুল করেননি ডেভন থমাস। মারেন ছক্কা। পরের বলে ৪ মেরে জয়ের আনন্দে মেতেছেন তিনি।
থমাস ১৯ বলে ৩১ রানে ম্যাচ জেতানো ইনিংস উপহার দিলেও বড় অবদান ওপেনার ব্রেন্ডন কিংয়ের। ৫২ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৬৮ রানের ইনিংস খেলে মঞ্চ গড়ে দিয়েছেন। বাকিরা সেভাবে অবদান রাখতে পারেননি যদিও। কিন্তু থমাস ছিলেন লক্ষ্যে অবিচল। তার ৩১ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ২ ছক্কা।
ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন আরশদ্বীপ সিং, রবীন্দ্র জাদেজা, রবীচন্দ্রন অশ্বিন, হার্দিক পান্ডিয়া ও আবেশ খান।
এর আগে আইপিএল খেলা ওবেড ম্যাকয়ের বিধ্বংসী বোলিং বেশিদূর যেতে দেয়নি সফরকারীদের। টস হেরে ভারত ১৯.৪ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে। ম্যাকয় ১৭ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট! যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের তো বটেই, ভারতের বিপক্ষেও কোনও বোলারের সেরা বোলিং। ডেথ ওভারেই ভারতকে চেপে ধরেন বামহাতি এই পেসার। ৬ উইকেটের ৪টি নিয়েছেন এই সময়ে। শুরুর তিন ওভারে নিয়েছেন রোহিত শর্মা (০) ও সূর্যকুমার যাদবের (১১)উইকেট। উল্লেখযোগ্য ইনিংস বলতে ঋষভ পান্তের ২৪, হার্দিক পান্ডিয়ার ৩১ ও রবীন্দ্র জাদেজার ২৭।
ম্যাকয় ছাড়াও ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৩ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন জেসন হোল্ডার। একটি নিয়েছেন আলজারি জোসেফ।ম্যাচসেরা হয়েছেন ম্যাকয়।









