২০১৯ সালে ঢাকার পূর্বাচলে একটি নতুন স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা কারণে সেটি আলোর মুখ দেখতে বিলম্ব হচ্ছিল। অবশেষে পূর্বাচলে হতে যাওয়া এই স্টেডিয়ামের কনসালটেন্ট নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। পপুলাস আর্কিটেকচার নামে কোম্পানিটি শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে। বৃহস্পতিবার বোর্ড সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।
গত বোর্ড মিটিংয়ে কক্স আর্কিটেকচার ও পপুলাস আর্কিটেকচার নামে দুটি কোম্পানিকে বাছাই করা হয়েছিল। দুটি কোম্পানিরই বিশ্বের বড় বড় স্টেডিয়াম তৈরির অভিজ্ঞতা আছে। প্রতিষ্ঠান দুটি অলিম্পিক-ফিফা বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম তৈরি করেছে। বিসিবি সবকিছু দেখে এই দুই কোম্পানির মধ্য থেকে পপুলাস আর্কিটেকচারকে নির্বাচন করেছে।
বোর্ড মিটিং শেষে নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘পপুলাস আর্কিটেকচার প্রাইভেট লিমিটেড শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের ডিজাইন ও কনসালটিংয়ের জন্য কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।’
নৌকার আদলে শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের নকশা প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি নেই। ২০২৩ সালে স্টেডিয়াম প্রস্তুতের লক্ষ্য থাকলেও সেটি সম্ভব হচ্ছে না। মূল স্টেডিয়ামের পাশাপাশি অত্যাধুনিক ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, পর্যাপ্ত অনুশীলন মাঠ, ইনডোর মাঠ, খেলোয়াড়দের আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা, বিসিবির সদর দফতর এবং একটি পাঁচ তারকা হোটেল থাকবে সেখানে। স্টেডিয়ামের পাশে পাঁচ তারকা হোটেল হলে অতিথি দলের ক্রিকেটাররা থাকতে পারবেন সেখানেই।
নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইর মতোই হবে ইনডোর স্টেডিয়াম। পাপন বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইতে যেমন ইনডোর আছে তেমন হবে। উপরে ছাদ থাকবে বৃষ্টির সময় বন্ধ করে দেওয়ার সুবিধাসহ। মিরপুরের ইনডোর মাঠেও হবে এই ইনডোর প্রযুক্তি।’









