এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে শুরুতে একটি উইকেট পড়লেও মিরাজের ব্যাটে পাওয়ার প্লের পুরো ফায়দা নিতে পেরেছে।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই হারায় প্রথম উইকেট। তবে ৬ ওভারে রান উঠে প্রত্যাশা মতোই। এসময় ১ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৫। তবে হাসারাঙ্গার ঘূর্ণিতে মিরাজকে ৩৮ রানেই ফিরতে হয়েছে। ফিরেছেন মুশফিক-সাকিবও। ১০.৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৮৭ রান।
ক্রিজে আছেন মাহমুদউল্লাহ (০) ও আফিফ হোসেন (৭)।
গুঞ্জন ছিল ওপেনিংয়ে আসতে পারে পরিবর্তন। হয়েছেও তাই। সাব্বির রহমানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাতে শুরুটাও হয় ইতিবাচক। শুরুর ওভারে চার আসে দুটি।
কিন্তু শুরুর ছন্দ আর ধরে রাখা যায়নি। তৃতীয় ওভারে প্রমাণ মেলে কেন আসিথা ফার্নান্ডোকে আজ অভিষেক করানো। তার পঞ্চম ডেলিভারিটা ছিল শর্ট লেংথের। প্রলুব্ধ হওয়া সাব্বির কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরেছেন ৫ রানে। দীর্ঘদিন পর ফেরা সাব্বির সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি।
তবে মিরাজকে ওপেনিংয়ে নামানোর বাজিটা কাজে দেয় শেষ পর্যন্ত। চতুর্থ ওভারে ছক্কা মেরে পঞ্চম ওভারে তুলে নেন ১৮টি রান। আসিথার এই ওভারটিতে একটি ছয়ের বিপরীতে মারেন দুটি চারও। ষষ্ঠ ওভারেও আসে ৮টি রান। তাতে পাওয়ার প্লের পুরো ফায়দা নিয়ে নেয় তারা।
পাওয়ার প্লের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের পর সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন হাসারাঙ্গা। এসেই মিরাজকে বিপদে ফেলেছিলেন। এলবিডাব্লিউর আবেদন উঠেছিল। পরে রিভিউতেও সফলতা মেলেনি শ্রীলঙ্কার। কিন্তু পঞ্চম বলে আর শেষ রক্ষা হয়নি। ২৬ বলে ৩৮ রান করা মিরাজ দারুণ এক বলে বোল্ড হয়েছেন। তার ইনিংসে দুটি চার ও দুটি ছয়।
অষ্টম ওভারে মুশফিকুর ৪ রানে ফিরলে ছন্দপতন ঘটে ইনিংসে। করুনারত্নের বাউন্সি বল ব্যাক ফুটে ডিফেন্ড করতে গিয়ে গ্লাভসবন্দি হয়েছেন। পরে অবশ্য এই ছন্দপতন কাটিয়ে উঠতে দারুণ অবদান রাখেন সাকিব। দশম ওভারে তিনটি চার মেরে স্কোরটাকে ৮৫ রানে নিয়ে গেছেন। কিন্তু ১১তম ওভারে থিকশানার ঘূর্ণিতে আর টিকে থাকতে পারেননি। বোল্ড হয়ে ২৪ রানে ফিরেছেন। তার ২২ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার।









