টানা দ্বিতীয় ম্যাচে চললো ট্রেন্ট বোল্ট-ম্যাট হেনরির বোলিং তোপ। তার পরেও ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ইনিংস মেরামতে বড় অবদান রাখলেন স্টিভেন স্মিথ। জবাবে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর সেরকম কোনও ঝলকই দেখাতে পারলেন না। বরং ১৯৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে গুটিয়ে গেলো মাত্র ৮২ রানে! তাতে ১১৩ রানের জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক দল। এই পরাজয়ে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। আর মে মাসে সিংহাসন হারানো ইংল্যান্ড উঠে গেছে চূড়ায়। ইংলিশদের পয়েন্ট এখন ১১৯। আর দুইয়ে চলে যাওয়া কিউইদের পয়েন্ট ১১৭।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংটা এদিনও ছিল হতশ্রী। ১১৭ রানে পড়েছে ৮ উইকেট। ভাগ্যভালো যে প্রায় শুরু থেকে একপ্রান্ত আগলে ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। অষ্টম উইকেট হিসেবে পতনের আগে ৯৪ বলে ৬১ রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস খেলেছেন। নাহলে অবস্থা আরও করুণ হতে পারতো!
অবশ্য স্কোরটা ৯ উইকেটে ১৯৫ হওয়ার পেছনে বড় অবদান পেসার মিচেল স্টার্কের। জাম্পা ও হ্যাজেলউডের সঙ্গে মিলে তিনি ৭৮ রান যোগ করেছেন। ওয়ানডেতে ১১ নম্বরে নেমে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরের নজির রেখেছেন হ্যাজেলউড। ১৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থেকেছেন। মিচেল স্টার্ক তো ৪৫ বলে অপরাজিত ছিলেন ৩৮ রানে। জাম্পা ফেরার আগে করেন ১৬ রান।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের বিপদে ফেলে দেওয়া বোল্ট ৩৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৩৩ রানে তিনটি নেন ম্যাট হেনরি। একটি করে নিয়েছেন টিম সাউদি ও মিচেল স্যান্টনার।
অথচ এত অল্প পুঁজি গড়েও তা ভালো মতো ডিফেন্ড করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। যার মঞ্চ গড়ে দেন স্টার্ক। প্রথম ওভারে পেয়ে যান মার্টিন গাপটিলের (২) উইকেট। তার পর সর্বনাশ ডেকে আনেন শন অ্যাবট। নবম ওভারে জোড়া আঘাতে বিদায় দেন ডেভন কনওয়ে (৫) ও টম ল্যাথামকে (০)।
এর পর শুরু হয় অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণিজাদু। অজি লেগ স্পিনার ক্যারিয়ার সেরা ৩৫ রানে ৫ উইকেট নিলে তাসের ঘরে পরিণত হয় কিউই দল। ইনিংস ৩৩ ওভারে ৮২ রানেই গুটিয়ে গেছে। সর্বোচ্চ ১৭ রানের ইনিংস খেলেছেন শুধু অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।
মিচেল স্টার্ক ১২ রানে নিয়েছেন দুটি উইকেট। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরাও তিনি। শন অ্যাবট ১ রান ও ৪ মেডেনে নিয়েছেন দুটি। মার্কাস স্টয়নিস নিয়েছেন ১টি উইকেট।









