মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল বলে কথা। কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার কথা নয়। হয়েছেও তাই। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের শুরুতেই চাপে ফেলে দিয়েছিল পাকিস্তান। তার পর ভানুকা রাজাপাকশের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের পুঁজি পেয়ে গেছে লঙ্কান দল। দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে জিততে পাকিস্তানের লক্ষ্য ১৭১ রান।
টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটা মাঠে বাস্তব করে দেখিয়েছিলেন পাকিস্তানের দুই পেসার নাসিম শাহ ও হারিস রউফ। তৃতীয় বলে কুশল মেন্ডিসকে শূন্যতে বোল্ড করেন নাসিম। তার পর তো লঙ্কান দল হারিস রউফের গতিতে কেঁপে উঠে। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে শুধু ৪২ রান।
৯ ওভার শেষে লঙ্কানরা পড়ে যায় আরও বিপদে- ৫ উইকেটে স্কোর দাঁড়ায় ৬২! কঠিন চাপে থাকা অবস্থায় দলটি যে এভাবে মাথা তুলে দাঁড়াবে তা কে ভাবতে পেরেছিল? করুণ অবস্থা থেকেই লঙ্কানদের টেনে তুলতে অবদান রাখেন ভানুকা রাজাপাকশে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। তাদের জুটিতে যোগ হয় ৫৮ রান। ২১ বলে ৩৬ রান করা হাসারাঙ্গাকে বিদায় দেন রউফ। তার পরেও থেমে রাখা যায়নি তাদের। মূলত রাজাপাকশের ব্যাটেই লঙ্কানদের লড়াইয়ের অবস্থানে চলে যাওয়া। ৩৫ বলে পেয়েছেন ফিফটি এই ব্যাটার। শেষ দিকে ৪৫ বলে ৭১ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে অপরাজিত থেকেছেন। তাতে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছয়। সঙ্গে ১৪ রানে ক্রিজে ছিলেন চামিকা করুনারত্নে। অবশ্য এই সময় ক্যাচ ছাড়ার মতো ঘটনারও জন্ম দিয়েছে বাবর আজমরা। ৮.৫ ওভারে পঞ্চম উইকেট পতনের পর ১১.১ ওভারে উঠেছে ১১২ রান।
২৯ রানে তিনটি উইকেট নেন পেসার হারিস রউফ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাদাব খান, ইফতিখার আহমেদ ও নাসিম শাহ।









