চেনা মাঠে অচেনা এক বাংলাদেশকে দেখা গেলো। নারী এশিয়া কাপে সোমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং তিন বিভাগেই স্বাগতিকরা ছিল ছন্নছাড়া! ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৭০ রানে আউট হওয়ার পর বাজে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নিয়ে ৪৬ বল আগেই ৯ উইকেটে পাকিস্তান ম্যাচ জিতে নিয়েছে। এই হারের কোনও ব্যাখ্যা না থাকলেও বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সালমা খাতুন মনে করেন, দিনটি তাদের ছিল না বলেই দলের এই অবস্থা!
সালমার ২৪, জ্যোতির ১৭ ও লতার ১২ রানের সুবাদে কোনও রকমে ৭০ রান করতে পেরেছে এশিয়া কাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। যদিও সালমা অনেকদিন পর দারুণ ব্যাটিং করেছেন। দলের হতশ্রী ব্যাটিংয়ের ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, ‘আজকে উইকেটটা এরকমই ছিল, যেহেতু কালকে অনেক বৃষ্টি হয়েছে। ব্যাটাররা কেউ দাঁড়াতে পারেনি। যে কারণে আমাদের রান এত কম হয়েছে। যেহেতু দ্রুত দুটি উইকেট পড়ে গেছে, জুটি গড়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ব্যাটাররা তার বাস্তবায়ন করতে পারেননি।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের সাফল্য বলতে একটি। ১৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতেই জিতেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে সর্বশেষ পাকিস্তানকে হারাতে পেরেছিল। বাকি ম্যাচগুলোয় বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় হার দেখতে হয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে অন্তত চার ম্যাচে ৭০ এর নিচে আউট হওয়ার ইতিহাস আছে বাংলাদেশের। তাহলে কী পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামলে মানসিক কোনও বাধা কাজ করে? উত্তরে সালমা বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না এমন কোনও বাধা কাজ করে। বরাবরই টপ অর্ডার ভালো করছে। হয়তো আজকের দিনটা আমাদের ফেভারে ছিল না, তাই টপ অর্ডার ভুল করেছে। চেষ্টা করেছি টপ ও লোয়ার অর্ডারে রান বাড়ানোর। আমাদের লক্ষ্য ছিল যদি ২০ ওভার খেলে ১০০ রান করতে পারি। কিন্তু সেটা পারিনি।’
শুধু ব্যাটিং কিংবা বোলিং নয়- মিস ফিল্ডিংও ছিল চোখে পড়ার মতো। বিষয়টি নিয়ে সাবেক এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘ওই যে বললাম দিন যার থাকে, সেটাই তাদের হয়ে যায়। আজ আমাদের ভাগ্য খারাপ। হয়তো রানটাও একটু কম হয়েছে। একটু চাপে হয়তো মেয়েরা ছিল, সেজন্য মিস ফিল্ডিং। আগে কিন্তু খুব ভালো করছিলাম। আজকেই হয়তো ফিল্ডিং মিস হয়েছে। আসলে কম রানের সময় সবাই একটু চাপে থাকে।’









