বাংলাদেশের একমাত্র নারী দলের পেসার হিসেবে শততম উইকেট শিকার করেছেন জাহানারা আলম। সোমবার নারী এশিয়া কাপে নিজের প্রথম ওভারেই চামারি আতাপাত্তুকে ক্লিন বোল্ড করে উইকেটের সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন। অথচ এমন কীর্তির দিনেও তীরে এসে তরি ডোবার যন্ত্রণায় পুড়তে হচ্ছে তাকে!
হওয়ারই কথা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হয়েও এবারের আসরে পাকিস্তান, ভারতের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ দল।
সোমবার আতাপাত্তুকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী পেসার হিসেবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১০০ উইকেট শিকার করেছেন জাহানারা। ওয়ানডেতে জাহানারার শিকার ৫৬ উইকেট। ৪৩ উইকেট নিয়ে সোমবার ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন। প্রথম ওভারে তুলে নেন নিজের শততম উইকেট।
জাহানারা অবশ্য নিজের মাইলফলক সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানার পরও দেখালেন না কোনও উচ্ছ্বাস। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বরং বলেছেন, ‘প্রথমত, আমি আমার স্ট্যাট চেক করি না। নিজেও জানি না আমার শত উইকেট হয়েছে। একটু ভালো লাগা থাকলেও খারাপ লাগাটা অনেক বেশি।’
আজ শ্রীলঙ্কাকে হারাতে ৭ ওভারে বাংলাদেশের করতে হতো ৪১ রান। কিন্তু সহজ সেই লক্ষ্যও ছুঁতে পারেনি স্বাগতিকরা। এমন হার শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণাই দিচ্ছে জাহানারাকে, ‘হোম গ্রাউন্ডে খেলা, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আমরা। যদি কোনও কারণে সেমিফাইনাল মিস করি, আমাদের থেকে মনে হয় না অন্য কারও খারাপ লাগা কাজ করবে।’
এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচ খেলার পর টানা তিন ম্যাচে সুযোগ পাননি জাহানারা। সোমবার লঙ্কানদের বিপক্ষে সুযোগ পেয়েছেন। বোলিংয়ে একেবারে খারাপও করেননি। ক্যারিয়ারের এমন উত্থান-পতন নিয়ে আবেগ মথিত কণ্ঠে এই পেসার বলেছেন, ‘একটা ক্রিকেটার একবারে উঠতে পারে না, উত্থান-পতন থাকবেই। সেটা থাকলেই সে একজন পেশাদার ক্রিকেটার। যখনি সুযোগ পাবো, টিমের আমার প্রয়োজন হবে; চেষ্টা করবো সেরাটা দিয়ে অবদান রাখার জন্য।’









