অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছিল জুনিয়র টাইগাররা। সবগুলো ম্যাচেই জিতেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ওই সিরিজে মিরাজ-সঞ্জিত-সাঈদ-শাওন গাজীদের স্পিন ঘূর্ণিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং লাইনআপ। যদিও বর্তমান দলে নেই সঞ্জিত সাহা; এরপরও কোনও অংশে কম শক্তিশালী নয় বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ। ৩ ম্যাচে বাংলাদেশের স্পিনারা নিয়েছেন ২১টি উইকেট।
সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্পিন আক্রমণে ঘায়েল করাই মূল লক্ষ্য থাকবে বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। এ প্রসঙ্গে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘স্পিন আক্রমণই পার্থক্য গড়ে দেবে বলে মনে হয়। কেননা আমাদের দলে বেশ ভালো মানের স্পিনার আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের সম্পর্কে আমরা খুব ভালো ভাবেই জানি। এই নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমার কাছে মনে হয়, স্পিনাররা ভালো বোলিং করলে ওদের ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতে পারবে না।’
আগে ব্যাটিং করলে কত রান লক্ষ্য হতে পারে এমন প্রশ্নে মিরাজ বলেন, ‘আগে ব্যাটিং করলে আমাদের লক্ষ্য থাকবে ২৫০ রান করা। এটা করতে পারলে বাকি কাজটুকু বোলারদের। আমাদের দলে বেশ ভালো মানের স্পিনার আছে। আমার মনে হয়, এই রানেই আমরা লড়াই করতে পারবো।’
আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছে। কতটুকু গর্বিত এবং চাপঅনুভব করছেন। এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি খুব গর্বিত, প্রথমবারের মতো আমরা সেমিফাইনাল খেলছি। তবে এটা আমাদের জন্য কোনও চাপের না। আমরা সবাই ভালো খেলতে মুখিয়ে আছি। যদি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, অবশ্যই ফল আমাদের পক্ষে আসবে।’
সেমিফাইনালের আগে আপনারা ৬ দিনের বিরতি পেয়েছেন। এই সুযোগটাকে কিভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্নে মিরাজ বলেন, ‘আমরা ৬ দিনের একটি বিরতি পেয়েছি। এই সুযোগে আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে নিতে পেরেছি। সব মিলিয়ে আমরা প্রস্তুত আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য। বিশেষ করে আমাদের ওপেনিং ব্যাটসম্যানরা প্রস্তুত। এছাড়া মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরাও প্রস্তুত; তারা গত ম্যাচগুলোতে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে। সব মিলিয়ে বলবো সেমিফাইনালের আগে এই ৬টি দিন আমরা খুব ভালোভাবে ব্যবহার করতে পেরেছি।’
/আরআই/এফআইআর/








