X
সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
২ বৈশাখ ১৪৩১

‘যে কষ্টটা আমরা পেয়েছি, বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে সেটা রিটার্ন দেবো’

রবিউল ইসলাম, সিলেট থেকে
১৫ অক্টোবর ২০২২, ২০:২৯আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২২, ২০:৩১

বড় স্বপ্ন নিয়ে নারী এশিয়া কাপের মঞ্চে খেলতে নেমেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। কিন্তু ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো দলের বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সে সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্নটা ফিকে হয়ে যায়। এরপর সেখানে শেষ পেরেকটি মেরে দেয় বৃষ্টি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ম্যাচটি বৃষ্টিতে বাতিল হলে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার নিগার সুলতানার দলের। চ্যাম্পিয়ন হয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশের এভাবে বিদায় নেওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না ভক্ত-সমর্থকরা। অধিনায়ক নিগারও আফসোস আর অনুশোচনায় পুড়ছেন। কেন পারলেন না, কোথায় সমস্যা- সবকিছু মিলিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

বাংলা ট্রিবিউন: নিজেদের ঘরে, চায়ের শহরে চা বাগানে ট্রফি নিয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কার দুই অধিনায়ক ফটোসেশন করেছেন। ছবিটা দেখে নিশ্চিয়ই খারাপ লাগছে?

নিগার সুলতানা: থাকতে পারতাম, কিন্তু থাকা হয়নি। এগুলো নিয়ে ভেবে মন খারাপ করতে চাই না। দেখেন নিজের ঘর, নিজের মাঠ সবকিছুই ঠিক আছে। কিন্তু নিজের মাটিতে আমরা কিন্তু কোনও সুবিধা পাইনি। তবে আমি কোনও অজুহাত দিবো না। আমার কথা হচ্ছে, আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলতাম, তাহলে আজকে ওই জায়গাতে থাকতে পারতাম। এই মুহূর্তে আমি বলবো, যে সুযোগটা গেছে সেটা তো আর ফিরে পাবো না। এগুলো চিন্তা করলে, হতাশা ছাড়া আর কিছু পাওয়ার নেই। কষ্ট তো আছেই। প্লেয়ারদের মতো কষ্ট তো আর কেউ পাবে না। হ্যাঁ, আপনারা, সারা বাংলাদেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছেন। কিন্তু সেই কষ্ট আমাদের মতো হবে না।

নারী এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নামলেও এবার সেমিফাইনালে খেলা হয়নি বাংলাদেশের বাংলা ট্রিবিউন: কী কারণে এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ব্যর্থ হলো বলে মনে করেন?

নিগার: ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে দল হিসেবে খেলতে পেরেছি বলেই চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছিলাম। এবার আমরা দল হিসেবে খেলতে পারিনি। বড় টুর্নামেন্টে দল হিসেবে পারফরম্যান্স করতে হয়। এখানে আমরা দল হিসেবে পারফরম্যান্স করতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা যদি ছোট ছোট কন্টিবিউশন করে দলে ভূমিকা রাখতে পারতাম, তাহলে এই প্রশ্নগুলো আসতো না। আমাদের বোলিং  ভালো হলে ব্যাটিং ভালো হচ্ছে না। ব্যাটিং ভালো হলে বোলিং ভালো হচ্ছে না। কমপ্লিট প্যাকেজ পারফরম্যান্স আমরা করতে পারিনি। ভারতের বিপক্ষে বোলিংটা আমরা বেশিই বাজে করেছি। সাধারণত এতো বাজে বোলিং আমরা করি না।

বাংলা ট্রিবিউন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৪২ বলে ৪১ রান নেওয়ার মতো স্কিল কি বাংলাদেশের ব্যাটারদের নেই?

নিগার: অবশ্যই আছে। আমরা সবাই তাড়াহুড়ো করেছি। বিশেষ করে আমারও দায় আছে। আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এই ধরনের ম্যাচ মানেই চাপ। এই চাপটা কেউ নিতে পারিনি। চাপ কমাতে বাউন্ডারির জন্য খেলতে গিয়েই আসলে বিপদে পড়তে হয়েছে। বাউন্ডারিগুলো মিস করে যেভাবে সাতটা উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছে। ওইগুলোতে সিঙ্গেল নিলেও কিন্তু ম্যাচটা আমরা জিতে যেতাম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পুরো ওভার খেলা হলে আমাদের চাপে পড়তে হতো না। এমনিতেই অল্প রান চেজ করা কঠিন। এক্সসাইটমেন্ট বলেন, প্রেসার বলেন ওই মুহূর্তে কিন্তু অনেকে নার্ভ ঠিক রাখতে পারে না। আমাদের নতুন খেলোয়াড়রা এই ধরনের পরিস্থিতিরি সঙ্গে পরিচিত ছিল না। হয়তো এটা শুনতে অজুহাত মনে হতে পারে। এতটুকু আমি বলতে পারি, টিমের জন্য সবাই চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। সবকিছু এখন ক্যালকুলেশন করলে দেখা যাচ্ছে যে এখান থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। পরবর্তীতে আমরা এমন চাপে পড়লে এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিতে পারবো।

নারী এশিয়া কাপে এমন উদযাপনের দেখা মিললেও বাংলাদেশের শেষটা হয়েছে হতাশার বাংলা ট্রিবিউন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় দলকে পরিকল্পনাহীন মনে হয়েছে। টিম ম্যানেজমেন্ট কিংবা আপনার থেকে আলাদা কোনও পরিকল্পনা দেওয়া ছিল কিনা?

নিগার: পরিকল্পনাতো অবশ্যই ছিল। এখন আপনাকে এশিয়া কাপ কাভার করতে পাঠানো হয়েছে, আপনি যদি ঘুরে বেড়ান, তাহলে কি নিউজ পাবেন? এটা তো আপনার ওপরে। এখানে সেটাই হয়েছে। কোচ তো বলেই পাঠিয়েছে, সিঙ্গেল রোটেট করে খেলে টার্গেটটাকে কন্ট্রোলে রাখতে। এখন একজন প্লেয়ার যদি সিদ্ধান্ত নেয় আমি এই বলে বাউন্ডারি মেরে চাপ কমাবো, তাহলে তো এটা তার সিদ্ধান্ত। সবাই কিন্তু দলের ভালোর জন্যই চেষ্টা করেছে। ভেবেছে, একটু রিস্ক নিলে রানরেটটা কমে আসবে, আমাদের ওপর থেকে প্রেশার রিলিজ হয়ে যাবে।

বাংলা ট্রিবিউন: ষষ্ঠ ওভারে আপনাদের পরিকল্পনা কী ছিল? এক ওভারে ৪ উইকেট হারনো তো বিস্ময়কর। বিশেষ করে, রুমানা আহমেদের আউটের পর অধিনায়ক হিসেবে আপনার উচিত ছিল শেষ পর্যন্ত খেলা...

নিগার: ছয় নম্বর ওভারটাতে সবাই চেষ্টা করেছে দুই-একটি বাউন্ডারি বের করার। যেন শেষ ওভারে চাপ না থাকে। রুমানার আউটের পর আমার থাকা উচিত ছিল। আমি ক্যালকুলেশনে ভুল করেছি। আমি শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে অফস্পিনার পেতাম, তখন অনায়াসেই ম্যাচটি জিতে যেতে পারতাম। কারণ আমি ডানহাতি ব্যাটার। আসলে পরিকল্পনা সবসময়ই থাকে, কখনও কখনও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। আমি যেহেতু ভালো খেলছিলাম, আমি শেষ বল পর্যন্ত খেলতে পারলে দলের সুবিধা হতো। ছিটকে যাওয়ার পর থেকেই এটা নিয়েই আমি আফসোস করছি, অনুশোচনায় ভুগছি।

বাংলা ট্রিবিউন: এই ধরনের ম্যাচে অনেক সময় ব্যাটিং অর্ডার ওলটপালট করে প্রতিপক্ষকে ভড়কে দেয়। আপনাদের এমন কিছু দেখা যায়নি।

নিগার: যেহেতু সাত ওভার ছিল, আমরা স্বাভাবিক ব্যাটিং অর্ডার রেখে চেষ্টা করেছি। উদ্দেশ্য ছিল, যেন আমরা পাওয়ার প্লে ব্যবহার করতে পারি। জাহানারা আপু কিংবা সোবহানা যেহেতু বেশ কিছুদিন ধরে ম্যাচের বাইরে ছিল এই কারণে তাদের নামানো হয়নি। সালমা আপু রানের মধ্যে ছিলেন। উনার অভিজ্ঞতা ম্যাচে কাজে লাগবে বলে ধারণা করেছিলাম। এই উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন বলে নিচের কাউকে ওপরে তুলে চাপিয়ে দিতে চাইনি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আউট হওয়ার পর ডাগআউটে চোখ বেয়ে জল আসে নিগারের বাংলা ট্রিবিউন: আপনি আউট হয়ে ডাগআউটে বসে কাঁদছিলেন, তখন কি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন ম্যাচটি হারতে যাচ্ছেন?

নিগার: না, না। বিষয়টি ওইরকম ছিল না। আমি আমার জন্য কষ্ট পাচ্ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে, আমি শেষ পর্যন্ত খেলতে পারলে দল এমন চাপে পড়তো না। কিন্তু ওই সময় আমি নিজের আউটের জন্য, নিজের ব্যর্থতার জন্য কষ্ট পাচ্ছিলাম। তাই কেঁদেছিলাম। সালমা আপু যখন নেমেছে, আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম শেষ পর্যন্ত কেউ না কেউ ম্যাচটি জিতিয়ে আসবে। আমি ভুল করেছি, ওই আফসোসেই কান্না করেছিলাম।

বাংলা ট্রিবিউন: বরাবরই দাবি করে আসছেন, আপনাদের ব্যাটিংয়ে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বড় দলগুলোর বিপক্ষে সেই স্কিল তো দেখা যায় না?

নিগার: এখানে একটা ব্যাপার আছে। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো খেলেন পিংকি আপু। সবসময় উনি রান করেন। টপ অর্ডারে শামীমা আপু যখন খেলেন, উনি ভালো করেন। কিন্তু এবার টুর্নামেন্টে আমরা ভুগেছি, টপ অর্ডার ব্যাটারদের রান না পাওয়া। যদি আপনি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের কথা চিন্তা করেন, পাওয়ার প্লেতে আমাদের ৪০-৪৫ প্লাস রান দরকার ছিল, সেখানে হয়েছে ৩০। মিডল অর্ডারে আমাদের রানের ফ্লো বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল, তখন আমাদের ডট হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, আমি গিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু অন্যপ্রান্তে ব্যাক টু ব্যাক উইকেট পড়েছে। আমার সঙ্গে কেউ ছিল না। সবকিছু মিলিয়ে সমস্যা হয়েছে। একজনকে তো ক্যালকুলেটিভ রিস্ক নিতেই হয়। আমি মনে করি, স্কিলের উন্নতি করতে হলে, আমাদের অনেক বেশি ম্যাচ খেলতে হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচের আগের রাতেই বৃষ্টি, সকালেও সেটি অব্যাহত ছিল। মাঠে আমিরাত বৃষ্টি বিলাস করলেও আপনারা ছিলেন আনমনা। মনের মধ্যে কী চলছিল?

নিগার: একদিন আগে আবহাওয়া রিপোর্ট দেখেছিলাম, ওখানে ছিল দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি। তারপরও আমি আশায় ছিলাম বৃষ্টি হবে না। অনেক সময় হয় না যে, আবহাওয়া রিপোর্ট ভুল হয়। আমি পুরোটা রাত পজিটিভ ছিলাম, বৃষ্টি থেমে যাবে আমরা ম্যাচটা খেলতে পারবো। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই মানুষ মোবাইল দেখে, আমি সেদিন জানালা দিয়ে আকাশ দেখার চেষ্টা করি। বৃষ্টি দেখেই মন খারাপ হয়ে গেছে। মাঠে যাওয়ার জন্য যখন বের হয়েছি, তখন মনে হচ্ছিল একসময় হয়তো থেমে যাবে। গ্রাউন্ডসম্যান অনেক চেষ্টা করেছেন আমাদের ম্যাচটা যেন মাঠে গড়ায়। আবহাওয়ার ওপর তো কারও হাত নেই। আমরা অনেক কান্নাকাটি করেছি। এভাবে বিদায় আসলে আমরা কেউই মেনে নিতে পারিনি।

বাংলা ট্রিবিউন: মেয়েদের মধ্যে গ্রুপিং আছে বলে গুঞ্জন আছে...

নিগার: পুরোপুরি মিথ্যা। আমি তো বাংলাদেশ দলে ২০১৫ সাল থেকে খেলছি, কোনও গ্রুপিং দেখিনি। আপনারা কোথা থেকে এগুলো পান! আমরা যখন গান গাই তখন তো একসঙ্গেই গাই। দেশের জন্য যখন লড়ি, একসঙ্গেই লড়ি। এখানে গ্রুপিংয়ের কিছু নেই। সব আপনাদের বানানো। আমরা যাই করি সেটা একসঙ্গে করি।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে হারাতে চান নিগার বাংলা ট্রিবিউন: স্কিল অনুযায়ী আপনাদের উন্নতির জন্য নিজেদের করার কী আছে? বোর্ডের কাছে আপনাদের প্রত্যাশা কী?

নিগার: বোর্ড তো ওভারঅল সবকিছুই করছে। আমাদের নিজেদেরও ভালো করার ইচ্ছা শক্তিটা জাগাতে হবে। ক্রিকেট কিন্তু প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। সব দেশ, সব ক্রিকেটার নিজেদের স্কিলের উন্নতি করছে। তো আমাদেরও সেই চেষ্টা করতে হবে। প্লেয়ারদের ভেতরে সেই জিনিসটা থাকতে হবে, আমরা ফেয়ারলেস ক্রিকেট খেলবো, আমি ইমপ্যাক্ট ক্রিকেট খেলবো- এইসব বিষয়গুলো নিজেদের ভেতর থেকেই আসতে হবে। একটি দলের উন্নতি দল ও দলের ক্রিকেটারদের ওপর নির্ভর করে। এই টুর্নামেন্টটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবেই কাজ করবে। বিশ্বকাপের সূচিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমাদের ম্যাচ আছে। আমরা যে কষ্টটা ওদের জন্য পেয়েছি, আশা করবো সেইম কষ্টটা ওদের রিটার্ন করার।

/কেআর/
সম্পর্কিত
হ্যাটট্রিকের পর ফারিহা জানালেন, ‘দল সবার আগে’
প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে গণভবনে যাচ্ছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার
সর্বশেষ খবর
শেখ হাসিনাকে নরেন্দ্র মোদির ‘ঈদের চিঠি’ ও ভারতে রেকর্ড পর্যটক
শেখ হাসিনাকে নরেন্দ্র মোদির ‘ঈদের চিঠি’ ও ভারতে রেকর্ড পর্যটক
ভাসানটেকে গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
ভাসানটেকে গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
করদাতাদের সম্মান করলেই বাড়বে রাজস্ব
করদাতাদের সম্মান করলেই বাড়বে রাজস্ব
গাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো ২ যুবকের
গাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেলো ২ যুবকের
সর্বাধিক পঠিত
কেন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ?
কেন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ?
কিছু আরব দেশ কেন ইসরায়েলকে সাহায্য করছে?
কিছু আরব দেশ কেন ইসরায়েলকে সাহায্য করছে?
বান্দরবা‌নে বম পাড়া জনশূ‌ন্য, অন্যদিকে উৎসব
বান্দরবা‌নে বম পাড়া জনশূ‌ন্য, অন্যদিকে উৎসব
মোস্তাফিজের খরুচে বোলিং ছাপিয়ে চেন্নাইয়ের জয়
মোস্তাফিজের খরুচে বোলিং ছাপিয়ে চেন্নাইয়ের জয়
সরকারি চাকরির বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন শেষ ১৮ এপ্রিল
সরকারি চাকরির বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন শেষ ১৮ এপ্রিল