১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয়েছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। মাঝখানে ১০ বছর বন্ধ থাকার পর দুই বছর অন্তর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়েছে এই যুব বিশ্বকাপ। প্রথম আসর বাদে সবগুলো আসরেই অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি টুর্নামেন্টের আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য বলতে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা।
১১তম আসরে এসে প্রথম বারের মতো সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। যদিও সেমিতে এসে থেমে যেতে হয়েছে মিরাজ-শান্তদের। ২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ডে বসবে যুব বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। সেখানে বাংলাদেশ বর্তমান অর্জনগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী মেহেদী হাসান মিরাজ।
২০১৪ ও ২০১৬ টানা দুটি বিশ্বকাপ নেতৃত্ব দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ফতুল্লায় তৃতীয় স্থান নির্ধরণী ম্যাচ খেলে অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সভিত্তিক খেলার ইতি টানবেন এই ক্রিকেটার। তবে যাওয়ার আগে পরের প্রজন্মের কাছে দায়িত্ব তুলে দিলেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটু সময় লাগবে। টানা তিন বছর একসঙ্গে ছিলাম অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে। যখন বাড়ি যাব, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেব, পরিবারের সঙ্গে থাকব তখন খারাপ লাগবে। তবে একটু সময় লাগবে। আশা করি সামনের প্রজন্মে যারা অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলবে তারা এই অর্জনকেও ছাড়িয়ে যাবেন। মুশফিক ভাইয়েরা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে; ৫ নম্বর হয়েছে। আমরা সেমিফাইনাল খেললাম। এখন যদি তিন-চার নম্বর হই। পরের প্রজন্ম চিন্তা করবে আমাদেরকে চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্সআপ হতে হবে।’
এমন একটি স্বপ্নের মৃত্যু ঘটার পর স্বভাতই খারাপ লাগার কথা ক্রিকেটারদের। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘মন খারাপ থাকবে এটাই স্বাভাবিক, কেননা আমরা ম্যাচ হেরে গেছি। স্যাররা বলেছে, তোমরা ভালো ক্রিকেট খেলছ; এটাই শেষ নয়। আরও সামনে যেতে হবে। সামনে আমাদের আরও একটি ম্যাচ আছে। ওটাও আমাদের জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওটা জিততে পারলে আরও কিছু প্রাপ্তি যোগ হবে।’
/আরআই/এমআর/








