সেমিফাইনালের মতো বড় ম্যাচে কম্বিনেশন ভাঙতে চায়নি কোনও দল। তাই অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছে। সিডনির মাঠে টস জেতায় শুরুতে ব্যাটিংও করেছে কিউই দল। কিন্তু তাদের বেশি দূর যেতে দেয়নি পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ড ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান করেছে। ফাইনালে যেতে বাবর আজমদের সামনে টার্গেট এখন ১৫৩ রান।
সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে উত্তেজনাতেই শুরু হয় প্রথম ওভার। প্রথম বলে চার মেরে শুরু করেন ফিন অ্যালেন। পরের বলে লেগ বিফোর হলেও রিভিউতে বেঁচেছেন। কিন্তু তৃতীয় বলে সেই লেগ বিফোরেই শাহীনের বলে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। প্রথম ওভারে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামাল দিতে অবদান রাখে কেন উইলিয়ামস-ডেভন কনওয়ে জুটি। ৩৪ রানও যোগ করেন তারা। কিন্তু পাওয়ার প্লের শেষ বলে রানআউটে কাটা পড়ে কনওয়ের উইকেট। ব্যাটিংটা ছন্দে না থাকায় শুরুর ৬ ওভারেও খুব বেশি রান হয়নি। ১ উইকেটে মাত্র ৩৮। কনওয়ে বিদায় নেওয়ার আগে ২০ বলে ৩ চারে ২১ রান করেছেন।
এই অবস্থায় গ্লেন ফিলিপসের ওপর নির্ভর করছিল অনেক কিছু। যেহেতু পুরো টুর্নামেন্টেই ঝড়ো গতিতে খেলে রান তুলেছেন। কিন্তু সেমির মতো ম্যাচে তাকে দ্রুতই ফিরিয়েছে পাকিস্তান। অষ্টম ওভারে নওয়াজের বলে সহজ ক্যাচ তুলে ফিলিপস ফেরেন মাত্র ৬ রানে।
৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া কিউই দলকে তার পর টেনে তুলে মূলত উইলিয়ামসন-ড্যারিল মিচেল জুটি। বড় স্কোরের সম্ভাবনাও দেখাচ্ছিল। কেন উইলিয়ামসনকে ১৬.২ ওভারে ফিরিয়ে ৬৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিটি ভাঙেন শাহীন আফ্রিদি। ফেরার আগে কিউই অধিনায়ক ৪২ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ৪৬ রান করেছেন। এর পর সেভাবে চাহিদা মিটিয়ে রান তুলতে পারেননি মিচেল। ৩৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৫৩ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছেন। সঙ্গে জেমস নিশামও ১২ বলে ১ চারে অপরাজিত ছিলেন ১৬ রানে। তাতে কিউই দলের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৫২ রান।
কিউইদের বেঁধে রাখতে বড় অবদান ছিল শাহীন আফ্রিদির। ২৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। ১২ রানে নওয়াজও নেন একটি।









