ভারত সিরিজের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ভার্সন শুরু হয়েছে রবিবার। বিকেএসপির দুটি ম্যাচে বোলারদের আধিপত্য দেখা গেছে। তিন নম্বর মাঠে এবাদত হোসেন, রেজাউর রহমান ও শেখ মেহেদীর বোলিংয়ে বিসিবি সেন্ট্রাল জোনকে ১১৪ রানে হারিয়েছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। একই সময়ে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে নাসুম ও মিরাজের ঘূর্ণিতে বিসিবি নর্থ জোনকে ৭২ রানে হারিয়েছে সাউথ জোন। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কেবল ইয়াসির ৮০ ও মুশফিক ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। বাকিরা উল্লেখ করার মতো রান করতে পারেননি।
বিকেএসপির উইকেট এমনিতে ব্যাটিং বান্ধব হলেও রবিবার ছিল বোলারদের দাপট। তাইজুল ইসলাম, রবিউল হক ও সুমন খানদের তোপে ইস্টজোনের হয়ে খেলা তামিম ইকবাল (১৮) ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু মুশফিকুর রহিম (৪৪) ও ইয়াসির আলী রাব্বির ৭৩ বলে ৮০ রানে দাঁড়িয়ে ইস্টজোন ৪৯.১ ওভারে ২৫৪ রান করতে পেরেছে। জবাবে ইস্টজোনের এবাদত, রাজা ও মেহেদীর দারুণ বোলিংয়ে সেন্ট্রাল জোন ৩৩ ওভারে ১৪৪ রানেই অলআউট হয়ে গেছে। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে সর্বোচ্চ ৩৮ রান।
তিন নম্বর মাঠের মতো বিকেএসপির চার নম্বর মাঠেও বোলারদের দাপট দেখা গেছে। শুরুতে সাইফউদ্দিনের ৫ উইকেট এবং তাসকিন ও শফিকুলদের জোড়া উইকেটে ১৯৯ রানে অলআউট হয় বিসিবি সাউথজোন। নাঈম শেখ ৫৪ ও তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রানের ইনিংস। মামুলী এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে বিসিবি নর্থজোনও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে। মিরাজ ও নাসুমের ঘূর্ণিজাদুতে নর্থজোন ২৯.৩ ওভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়। ফলে অল্প রান করেও ৭২ রানের বিশাল জয় পায় সাউথজোন। সর্বোচ্চ ৪২ রান আসে শামীম পাটোয়ারির ব্যাট থেকে। দলটির অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ৮ রানে আউট হয়েছেন।








