সিলেটে শেষ ম্যাচ হেরে বিপিএলে থেকে এক প্রকার ছিটকে গিয়েছিল খুলনা টাইগার্স। তবু কাগজে-কলমে প্লে-অফে খেলার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও টিকে ছিল। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে ৩৭ রানের হারে সেটিও শেষ হয়ে গেছে তাদের। সোমবার বরিশালের দেওয়া ১৯৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৫৭ রানে থেমেছে খুলনার ইনিংস। তাতে পয়েন্ট টেবিলের ৬ষ্ঠ দল হিসেবে বিপিএলের নবম আসর শেষ করেছে তামিমরা। যদিও লিগ পর্বে খুলনার আরও একটি ম্যাচ বাকি। অন্যদিকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে বরিশাল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা সিলেট স্ট্রাইকার্সের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ১৯৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ফিরেছেন তামিম ইকবাল (১)। দ্বিতীয় উইকেটে অ্যান্ডি বালবার্নি ও শাই হোপ মিলে ৪৪ রানের জুটিতে ধাক্কা সামাল দিয়েছেন। বালবার্নি ১১ রানে আউট হওয়ার পর দ্রুত বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়ও (০)। ততক্ষণে শাই হোপও যেন ফেরার পথটা তৈরি করে রেখেছিলেন! ২৪ বলে ৩৭ রান করে বিদায় নেন তিনি। তার পর উপায় না দেখে একা লড়াই করেছেন ইয়াসির আলী রাব্বি। ৩৮ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললেও তা বৃথা গেছে সতীর্থদের সঙ্গ না পাওয়ায়। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রানে থেমেছে খুলনা।
ফরচুন বরিশালের বোলারদের মধ্যে করিম জানাত ২৯ রানে চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া খালেদ ৩৬ রানে নেন দুটি। এর বাইরে মোহাম্মদ ওয়াসিম ও সাকিব আল হাসান একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ করেছে ফরচুন বরিশাল। এক চার ও এক ছক্কায় ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়ে এনামুল সাজঘরে ফিরলে (১৩) ওপেনিং জুটি ভাঙে ৩২ রানে। বিপিএলে নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথমবার ব্যাটিং করতে নামেন ফজলে মাহমুদ। দ্বিতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরানকে সঙ্গে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েছেন তিনি। ২৯ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩৯ রান করে আউট হয়েছেন এই ব্যাটার। সঙ্গীকে হারিয়ে ২৩ বলে ২৩ রান করে ফিরে যান ইব্রাহিমও।
এরপর সাকিব আল হাসান ও ইফতেখার হোসেন মিলে চতুর্থ উইকেটে ৫২ রান যোগ করেছেন। দারুণ খেলতে থাকা সাকিব ২১ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৬ রান করে আউট হন। তবে ইফতেখার ছিলেন অপরাজিত। ৩১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার। সবমিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বরিশালের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯৪।
খুলনা টাইগার্সের বোলারদের মধ্যে পল ভ্যান মিকেরান সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া নাহিদুল ও হাসান মুরাদ নেন একটি করে উইকেট।









