গ্রুপ পর্বের আরও বেশ কিছু ম্যাচ বাকি থাকলেও বিপিএলে ইতোমধ্যে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে চার দল। ছিটকে গেছে খুলনা টাইগার্স, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ঢাকা ডমিনেটর্স। ফলে শিরোপার দৌড়ে টিকে আছে কেবল সিলেট স্ট্রাইকার্স, ফরচুন বরিশাল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্স। তবে প্রথম-দ্বিতীয় হওয়ার লড়াইটাও জমজমাট হতে যাচ্ছে। কারণ এই চার দলই সেদিকে নজর রেখে মাঠে নামছে।
সেজন্য সামনের ম্যাচগুলোতে জয় ভিন্ন অন্য কিছু চিন্তাও করতে পারছে না তারা। পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে থাকা ফরচুন বরিশালের কোচ মিজানুর রহমান বাবুল যেমন বললেন, ‘সবাই এখন রেসে টিকে আছে। তাই সবগুলো ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ।’
চার দলের প্রত্যেকের চোখ শীর্ষ দুইয়ে থেকে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলা। প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলার সবচেয়ে বড় সুবিধা হারলেও ফাইনাল খেলার বাড়তি একটা সুযোগ পাওয়া পায়। এছাড়া তিন ও চার নম্বরে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর ম্যাচ। ওই ম্যাচে যারা জিততে তারা চলে যাবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। পরাজিত দল বিপিএল থেকেই বিদায় নেবে।
প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলার সম্ভাবনায় সবচেয়ে বেশি এগিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স। সিলেটের ১১ ম্যাচে ৮ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১৬। নিজেদের শেষ ম্যাচে জয় পেলেই তারা ১৮ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করবে। বরিশাল, কুমিল্লা ও রংপুরের পয়েন্ট ১৪ করে। এই তিন দলেরই সুযোগ আছে শীর্ষ দুইয়ে খেলার। এই লড়াই থেকে ছিটকে যেতে চায় না কেউ। ফরচুন বরিশালের কোচ মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘এখন যে সমীকরণ দাঁড়িয়েছে, সেটা হচ্ছে এক দুইয়ে যাওয়ার লড়াই। চারটা দলের মধ্যেই সম্ভাবনা আছে। আমরাও ওই রেসের মধ্যে আছি। একটা ম্যাচ হেরে গেলে রেস থেকে ছিটকে যাবো। স্বাভাবিকভাবে চিন্তিত থাকবোই। সামনে দুইটা ম্যাচ আছে। যদি ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলতে পারি, তাহলে আমাদের সম্ভাবনা আছে।’
শুক্রবার সিলেটকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে সিলেট। টানা জয়ের মধ্যে থাকা রংপুরের কোচ সোহেল ইসলামও শেষ দুই ম্যাচ জিতে শীর্ষে থেকে কোয়ালিফায়ার খেলতে চাইছেন, ‘আমরা শেষ পাঁচটি ম্যাচই জিতেছি। আমাদের সুযোগ আছে সেরা দুইয়ে খেলার। জয়ের যে ধারাবাহিকতা আছে, ছেলেরা যে প্রক্রিয়ায় খেলছে সেটা ধরে রাখতে পারলে অবশ্যই আমরা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো।’
এদিকে টানা সাত ম্যাচ জিতে রেকর্ড গড়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের লক্ষ্য অভিন্ন। কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই চাইবো শীর্ষস্থানে থেকে কোয়ালিফায়ার খেলতে। আমাদের কিছু সমস্যা হচ্ছে, তবে ম্যাচ জিততে পারছি সেটাই বড়। কীভাবে জিতছি সেটা বড় নয়। জিততে পারলেই হলো।’









