বিপিএলে ঢাকা ডমিনেটরস ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ম্যাচটি ছিল নিয়ম রক্ষার। মঙ্গলবার এই ম্যাচ থেকে পাওয়ার কিছু ছিল না কোন দলের। তার পরেও ঢাকা ডমিনেটরসের বিপক্ষে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম।
স্বাগতিক ঢাকার বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে চট্টগ্রাম ১১৮ রানে থেমেছে। সহজ সেই লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি ঢাকা। ১০৩ রানে থামলে চট্টগ্রাম ১৫ রানের জয় পেয়েছে। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৬ষ্ঠ অবস্থানে তারা। বুধবার লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম। অন্যদিকে ঢাকা ১২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ১১৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে চট্টগ্রামের মতো ঢাকার শুরুটাও ছিল ছন্নছাড়া। ওপেনিং পজিশনে পদন্নতি পাওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন ২ রানে বিদায় নিলে ভাঙে ওপেনিং জুটি। তিন নম্বরে নামা আরিফুল হকও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আউট হয়েছেন সাত রানে। সৌম্য সরকার চেষ্টা করে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি।
এরপর ম্যাচটি বের করার দায়িত্ব পড়ে অধিনায়ক নাসির হোসেনের ওপর। কিন্তু নিজের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। যদিও দলের সর্বোচ্চ ২৪ রান এসেছে তার ব্যাট থেকেই। এরপর এলক্স ব্লেকের ১৩ ও জিহাদুজ্জামানের ১৮ রান বৃথা গেছে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ঢাকার স্কোর থামে ১০৩ রানে।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে কার্টিস ক্যাম্ফার ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও সাফল্য পেয়েছেন। ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার তিনি। তাছাড়া মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও জিয়াউর রহমান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। শুভাগত হোম ও নিহাদুজ্জামান নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামলে বিপর্যয়ে পড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টপ অর্ডারের পাঁচ ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছার আগেই আউট হয়েছেন। ২৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর উসমান খান ও কার্টিস ক্যাম্পার মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছেন। ৪১ রানের জুটির পর ক্যাম্ফার ১১ রান করে আউট হতেই ফের বিপর্যয়ে পড়ে চট্টগ্রাম। সঙ্গীকে হারিয়ে উসমান খানও ২৯ বলে ৩০ রান করে আউট হয়েছেন। শেষ দিকে জিয়াউর রহমানের ২০ বলে ৩৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম।
ঢাকার আরাফাত সানী ২২ রানে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আল আমিন হোসেন ও আমির হামজা নেন একটি করে উইকেট।









