ওয়েলিংটনে ৭ উইকেটে ১৩৮ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। আগের দিন ১০৩ রানে সপ্তম উইকেট পড়া স্বাগতিকদের অবস্থা আরও শোচনীয় হতে পারতো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ফলোঅন এড়াতে না পারলেও অধিনায়ক ও পেসার টিম সাউদির আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের প্রেরণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। প্রথম ইনিংসে তার কল্যাণেই স্কোর ২০৯ রান পর্যন্ত গেছে।
এবার দ্বিতীয় ইনিংসে তার দেখিয়ে দেওয়া পথ ধরে দারুণ জবাব দিচ্ছে কিউই দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ২০২ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে। আর মাত্র ২৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও স্বাগতিকরা যে প্রথম ইনিংসের ভুল শুধরে এগিয়ে যাওয়ার পণ করেছে; এটা তারই প্রমাণ।
টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর সাউদি অষ্টম উইকেটে টম ব্লান্ডেলকে নিয়ে যোগ করেছেন ৯৮ রান। সাউদি ৪৯ বলে করেছেন ৭৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। যে ইনিংসটি খেলার পথে ৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। তাতে টেস্টে সর্বকালের সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর তালিকায় সেরা দশে ঢুকে গেছেন তিনি। তার ছক্কা ৮২টি। সাউদি-ব্লান্ডেলকে ফিরিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তাতে প্রথম ইনিংসে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
ব্রড ৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৩৭ রানে তিনটি নেন অ্যান্ডারসন। ৮০ রানে ৩টি উইকেট নেন জ্যাক লিচ।
২২৬ রানে পিছিয়ে থেকে পরে দুর্গ গড়ে খেলার চেষ্টা করেছে নিউজিল্যান্ড। কনওয়ে-ল্যাথামের উদ্বোধনী জুটিতে ১৪৯ রান যোগ হয়েছে। ৬১ রান করা কনওয়ে লিচের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। ল্যাথামের প্রতিরোধও তার পর বেশিক্ষণ টেকেনি । ৮৩ রান করা ব্যাটার রুটের বলে এলবিডাব্লিউ হয়েছেন। উইল ইয়াং ৮ রানে দ্রুত ফিরলে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল। বাকিটা সময় কেন উইলিয়ামসন (২৫) ও হেনরি নিকোলস (১৮) প্রতিরোধ গড়ে পার করেছেন।
তৃতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৪৩৫/৮ ডি. (ব্রুক ১৮৬, রুট ১৫৩; হেনরি ৪/১০০, ব্রেসওয়েল ২/৫৪)
নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৫৩.২ ওভারে ২০৯ (সাউদি ৭৩, ব্লান্ডেল ৩৮; ব্রড ৪/৬১, অ্যান্ডারসন ৩/৩৭, লিচ ৩/৮০)
নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ ওভারে ২০২/৩ (ফলোঅন- ল্যাথাম ৮৩, কনওয়ে ৬১, কেন ২৫*, হেনরি ১৮*; )









