বেশ সংগ্রাম করেই ব্যাটিং লাইনে তিন নম্বর পজিশনে ফিরেছিলেন সাকিব আল হাসান। সেখানে বেশ সফলও ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ওই পজিশনে ব্যাটিং করেই পেয়েছিলেন সাফল্য। তবে আগামীতে এই জায়গায় আর ব্যাটিং করা হবে না সাকিবের। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেই সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সাকিব পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন। এরপর এক এক করে বাকি দুই ম্যাচেও বদলায়নি তার ব্যাটিং পজিশন। তবে কি সাকিব আর পুরোনো পজিশনে ফিরবেন না! তামিমের স্পষ্ট জবাব, ‘তার ব্যাটিং অর্ডার হবে চার-পাঁচ। এটি চূড়ান্ত।’
২২৭ ওয়ানডেতে সাকিবের গড় রান বেশি তিনেই। সবশেষ ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং করেন তিনে। বাকি দুই ম্যাচে চারে। এই পজিশনে সাকিব ৩৬ ইনিংসে দুটি সেঞ্চুরি ও ১৩টি হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৯.৬৪ গড়ে করেন ১৭৭৩ রান। তবে সবচেয়ে বেশিবার ব্যাটিং করেছেন পাঁচ নম্বরেই। ১২৮ ইনিংসে ৩৫.৬৫ গড়ে সেখানে করেন ৪৭৪১ রান। ৫টি সেঞ্চুরি ছাড়া আছে ৩২টি হাফ সেঞ্চুরি। এর বাইরে বাকি ৩৫ ম্যাচে ব্যাটিং করে ৪১.০৭ গড়ে করেন ১৪৫৮ রান। ওই পজিশনে ব্যাটিং করে দুটি সেঞ্চুরি ও ৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৫ নম্বরে নেমে ৮ রান করলেও পরের দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি পান সাকিব। দ্বিতীয় ম্যাচে ৫৮ রানের পর আজ খেললেন ৭৫ রানের নান্দনিক ইনিংস।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারায় হতাশ হলেও অধিনায়ক তামিম খুশি অন্তত শেষটা ভালোভাবে করতে পারায়, ‘আমি সবসময় বলি ছোট ছোট বিষয়ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ম্যাচে ১৫০ রানে ৩-৪ উইকেট ছিল আমাদের। সেখান থেকে ২০৯ রানে থেমে যাই। এমনকি আজকেও আমরা যে অবস্থানে ছিলাম, ২৭০-২৮০ রান করা উচিত ছিল। কাজ করার অনেক জায়গা আছে। তবু খুশি যে একটি ম্যাচ জিতেছি। ভালোভাবে শেষ করায় খুশি। তবে সিরিজ হেরে যাওয়ায় হতাশ।’









