সোমবারের দিনটা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। ক্রাইস্টচার্চে লড়ছিল শ্রীলঙ্কা-নিউ জিল্যান্ড, আহমেদাবাদে ভারত-অস্ট্রেলিয়া। দুটি ম্যাচের ফলই এক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক। শ্রীলঙ্কা নিউ জিল্যান্ডকে হারাতে পারলে আর ভারত জিততে না পারলে লঙ্কানরা লড়াইয়ে টিকে থাকতো। কিন্তু কেন উইলিয়ামসনের অপরাজিত ১২১ রান, ড্যারিল মিচেলের ঝড়ো গতির ৮৬ রানে শেষ বলে ২ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় তুলে প্রথম টেস্টে তাদের হতাশ করেছে কিউই দল। তাতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই থেকে শ্রীলঙ্কা ছিটকে গেছে। আর ভারত নিশ্চিতভাবে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার।
২৮৫ রানের লক্ষ্যে কিউইদের বেশির ভাগ সময়ই মনে হয়নি যে, এই টেস্ট তারা জিততে যাচ্ছে। বৃষ্টির হানায় খেলা শুরুই হয়েছে ৪ ঘণ্টা বিলম্বে।
১ উইকেটে ২৮ রানে ইনিংস শুরু করা নিউজিল্যান্ডের সূচনাটা খারাপ ছিল না। দলীয় ৫০ রানে পড়েছে ল্যাথামের উইকেট। নিকোলসও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। দলীয় ৯০ রানে তাকে সাজঘরে ফিরিয়ে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেন প্রবাথ জয়াসুরিয়া। তার পর মিচেল ও উইলিয়ামসনের ব্যাটে বড় প্রতিরোধ। ১৫৭ বলে ১৪২ রান যোগ করেছেন তারা। দলীয় ২৩২ রানে মিচেল ফিরতেই প্রতিরোধ ভঙ্গুরও হয়ে পড়ে। ৮ উইকেট পড়লেও প্রান্ত আগলে ম্যাচটা অন্তিমে নিয়ে যেতে থাকেন কেন উইলিয়ামসন। রোমাঞ্চকর হয়ে দাঁড়ানো ম্যাচে শেষ বলে কিউইদের জিততে প্রয়োজন ছিল ১ রান। কিন্তু শেষটা নাটকীয় হয়ে দাঁড়ায় কেন উইলিয়ামসনের রানআউটের আবেদনে। আসিথার শেষ বলটা ব্যাটে লাগেনি। উইলিয়ামসন দৌড়ে রান নিতে গেলে নন স্ট্রাইকে স্টাম্প ভাঙেন বোলার নিজেই। রিপ্লের পর দেখা গেছে, উইলিয়ামসন আউট হননি। তাতে ২ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয়ে মাঠ ছেড়েছে কিউই দল।
প্রথম টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ৩৫৫ (মেন্ডিস ৮৭, ম্যাথুজ ৪৭; সাউদি ৫/৬৪, ম্যাট হেনরি ৪/৮০) ও ৩০২ (ম্যাথুজ ১১৫, ধনাঞ্জয়া ৪৭*; ব্লেয়ার টিকনার ৪/১০০, হেনরি ৩/৭১)
লক্ষ্য: ২৮৫
নিউজিল্যান্ড: ৩৭৩ (মিচেল ১০২, হেনরি ৭২; আসিথা ৪/৮৫, কুমারা ৩/৭৬)ও ২৮৫/৮ (কেন ১২১*, মিচেল ৮১; আসিথা ৩/৬৩, জয়াসুরিয়া ২/৯২)
ফল: নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: ড্যারিল মিচেল।









