লখনউয়ে স্লো আর লো উইকেটে শুরুতে ব্যাট করেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যদিও এই কৌশল কাজে দেয়নি এইডেন মারক্রামদের। লখনউ সুপার জায়ান্টসের স্পিন তাদের ১২১ রানেই রুখে দিয়েছে। জবাবে ঘরের মাঠে ২৪ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে লখনউ। তাতে আইপিএলে মারক্রামের অধীনে প্রথমবার খেলতে নেমে টানা দ্বিতীয় হার দেখেছে হায়দরাবাদ। আর তিন ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে লখনউ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: সানরাইজার্স ১২১/৮
লখনউ: ১৬ ওভারে ১২৭/৫
ফল: লখনউ ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: ক্রুনাল পান্ডিয়া।
লো স্কোরিং ম্যাচে বল ভালো গ্রিপ করছিল, মিলছিল টার্নও। এমন পিচে শুরুতে ব্যাট করতে নামাটা কাল হয়ে দাঁড়ায় হায়দরাবাদের। উল্লেখযোগ্য স্কোর বলতে টপ অর্ডারের আনমোলপ্রিত সিংয়ের ৩১, রাহুল ত্রিপাঠির ৩৪। লোয়ার অর্ডারে ওয়াশিংটন সুন্দরের ১৬ ও আব্দুল সামাদের কার্যকরী ২১* রানে ৮ উইকেটে স্কোর ১২১ রান পর্যন্ত গেছে। সামাদের ১০ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ২টি ছয়। তাদের বিপদে ফেলতে বড় অবদান বামহাতি স্পিনার ক্রুনাল পান্ডিয়ার। ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। হায়দরাবাদ অধিনায়ক এইডেন মারক্রামকেও ০ রানে সাজঘরে পাঠিয়ে তাদের চাপে ফেলতে অবদান ছিল তার। তাছাড়া লেগস্পিনার অমিত মিশ্র ২৩ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে নিয়েছেন রবি বিষ্ণয় ও যশ ঠাকুর।
মামুলি লক্ষ্য দিয়ে লখনউর সামনে বাধা হতে পারেনি মারক্রামের দল। ৩৫ রানে কাইল মায়ার্স (১৩) ফিরলেও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল শুরুর ধাক্কা সামলাতে অবদান রেখেছেন। মাঝে দীপক হুদা (৭) দ্রুত ফিরলে অধিনায়কের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়েছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। বল হাতে দারুণ অবদানের পর ব্যাট হাতেও এই বামহাতি ২৩ বলে ৩৪ রান করেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ১টি ছয়। তুলনায় ধীর গতিতে খেলেছেন রাহুল। দলীয় ১০০ রানে ক্রুনালের বিদায়ের কিছুক্ষণ পর অধিনায়ক রাহুল ৩১ বলে ৩৫ রানে ফিরেছেন! তার পরেও জয়ের পথেই থেকেছে তারা। মার্কাস স্টয়নিস ১০* ও নিকোলাস পুরান ১১* অপরাজিত থেকে লখনউর জয় নিশ্চিত করেছেন ১৬ ওভারে। এর আগে জয়ের কাছাকাছি সময়ে শূন্য রানে ফিরেছেন রোমারিও শেফার্ড।
হায়দরাবাদের হয়ে ২৩ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন আদিল রশিদ। একটি করে শিকার করেছেন ফজল হক ফারুকি ও উমরান মালিক।









