ইলিয়াস সানীকে লং অফ দিয়ে মেরে পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সব মিলিয়ে তার ১১২ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে প্রাইম ব্যাংক ৬ উইকেটে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। আগে ব্যাটিং করে অগ্রণী ব্যাংক ২৭৪ রানের লক্ষ্য দেয়। কঠিন সেই লক্ষ্য ২০ বল আগেই ৪ উইকেট হারিয়ে ছুঁয়ে ফেলে প্রাইম ব্যাংক।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে উসমান খান, সাদমান ইসলাম ও জহুরুল ইসলামের হাফ সেঞ্চুরিতে ২৭৩ রান করে অগ্রণী ব্যাংক। জবাবে খেলতে নেমে শুরুতেই প্রাইম ব্যাংকের ওপেনার প্রান্তিক নওরোজ নাবিল ১ রান করে সাজঘরে ফিরলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হতে দেননি শাহদাত দিপু ও মোহাম্মদ মিঠুন। দ্বিতীয় উইকেটে দুইজন মিলে গড়েন ৭৮ রানের জুটি। ৪০ বলে ৩৫ রান করে শাহাদাত আউট হলেও মিঠুন হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন। নাসিরের সঙ্গে স্কোরবোর্ডে আরও ১৮ রান যোগ করে ৫৩ বলে ৫০ রান করেন মিঠুন।
এরপর মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে নাসির গুরুত্বপূর্ণ ১১১ রানের জুটি গড়েন। মুশফিক ৬১ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ৫৩ রান করে আউট হতেই জুটি ভাঙে তাদের। এই জুটিতেই জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় প্রাইম ব্যাংক। মুশফিকের আউটের পর ইয়াসির ছয় নম্বরে ব্যাটিং নেমে খেলেন ১৬ রানের অপরাজিত ইনিংস। নাসির ৯৮ বলে ১২ চার ও ৪ ছক্কায় ১১২ রানে অপরাজিত ছিলেন। লম্বা সময় ধরে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া এই অলরাউন্ডারের ব্যাটে ভর করে ৪৬.৪ ওভারে ২৭৭ রান করে ফেলে প্রাইম ব্যাংক।
অগ্রণী ব্যাংকের বোলারদের মধ্যে এনামুল হক, শরিফউল্লাহ, আসাদুজ্জামান পিয়াল ও ইলিয়াস সানী একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তিন হাফ সেঞ্চুরির ওপর ভর করে অগ্রণী চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুড়ে দেয়। বিপিএলে সেঞ্চুরি হাঁকানো উসমান খানকে দুবাই থেকে উড়িয়ে এনেছিল অগ্রণী ব্যাংক, তিনি হাফ সেঞ্চুরি করলেও দল জিততে পারেনি। ৯১ বলে মাত্র ৫৩ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এছাড়া সাদমান ইসলাম ৬২, জহুরুল ইসলাম ৫৮, মার্শাল আইয়ূব ৩৪ ও আবু হায়দার রনি ৩৬ রান করেন।
প্রাইম ব্যাংকের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। উইকেট না পেলেও দারুণ বোলিং করেন নাসির, ১০ ওভারে মাত্র ২০ রান দেন। অলরাউন্ডিং পারফর্ম করে দলকে জিতিয়ে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।
/আরআই/এফএইচএম/









