হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের পর গত মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ট্রফি হারায় আবাহনী। তবে চলতি মৌসুমে গতবারের চ্যাম্পিয়ন শেখ জামালকে ৪ উইকেটে হারিয়েই শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি। এই নিয়ে আবাহনীর শিরোপার সংখ্যা দাঁড়ালো ২২টি।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনীকে ২৮৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল শেখ জামাল। তবে আবাহনীর দুই ইনফর্ম ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও নাঈম শেখের ১৪৫ রানের জুটির ওপর দাঁড়িয়ে জয়ের পথটা পেয়ে যায় দল। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাঈম ৭৯ বলে ৬৮ রান করে আউট হন, তার রান ৯৩২। স্কোরবোর্ডে আরও ৪ রান যোগ হতেই ৮৩৪ রান করে লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক এনামুল আরিফ আহমেদের শিকার হন। ৮১ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় শেষ ম্যাচটিতে ৭২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এরপর দ্রুত মাহমুদুল হাসান জয় (৯) ও জাকের আলী অনিককে (২১) হারিয়ে চাপে পড়েছিল আবাহনী। তবে সেই চাপ থেকে দলকে বের করে আনেন আফিফ হোসেন। তার অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়ে আবাহনী ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর গড়ে।
শেখ জামালের বোলারদের মধ্যে তাইবুর রহমান ও পারভেজ রাসুল দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আরিফ আহমেদ ও সাইফ হাসান নেন একটি করে উইকেট।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শেখ জামাল। ১৬ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ৮১ রানের জুটি গড়েন ফজলে মাহমুদ রাব্বি ও তাইবুর রহমান। ৭০ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে ফজলে মাহমুদ আউট হওয়ার পর হাল ধরেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তাইবুরের সাথে ৪২ রানের জুটির পর রাসুলের সঙ্গে ৮৩ রানের জুটি গড়েন সোহান। ৮৫ বলে ৫৩ রান করেন তাইবুর। রাসুল ৩৭ বলে ৪২ রান করে আউট হওয়ার পর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন সোহান। আর তাতেই ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮২ রানের সংগ্রহ দাঁড়ায় দলটির।
সোহান ৭০ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৮৯ রানের ইনিংস। ১৪ বলে ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন জিয়াউর।
আবাহনীর বোলারদের মধ্যে তানভীর ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।









