ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ১৭৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। বলার মতো ব্যাটিংটা করতে পারলেন কেবল শাহাদাত হোসেনই। প্রতিরোধ গড়ে শেষ পর্যন্ত ৭৩ রানে আউট হয়েছেন। বাকিরা সেভাবে প্রতিরোধ গড়তে না পারায় দ্বিতীয় আনঅফিশিয়াল টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩৭ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। জবাবে ক্যারিবিয়ানরা দ্বিতীয় দিনেই লিড নিয়েছে। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৬৮ রান নিয়ে শেষ করেছে দিনের খেলা। তারা এগিয়ে আছে ৩১ রানে।
সিলেটে আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটারের মধ্যে নাঈম হাসান আউট হয়ে যান শুরুতেই। অ্যান্ডারসন ফিলিপের বলে ক্যাচ দিয়ে ১৭ রানে ফিরেছেন। বাকিরা সেভাবে প্রতিরোধ গড়তে না পারলেও প্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন শাহাদাত। তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১২৪ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ৭৩ রানে আউট হয়েছেন। তার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৬৫.৩ ওভারে ২৩৭ রানে গুটিয়ে গেছে।
ক্যারিবিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন পেসার আকিম জর্ডান। ৪৫ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। তাছাড়া দুটি করে নিয়েছেন অ্যান্ডারসন ফিলিপ ও কেভিন সিনক্লেয়ার।
জবাবে আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলেছেন ওপেনার কার্ক ম্যাকেঞ্জি। শুরু থেকে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে খেলেছেন। পরে অবশ্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন তিনি। ১২২ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৯১ রানে সাইফ হাসানের বলে তালুবন্দি হয়েছেন। মাঝে ৩৭ রানে রেইমন রেইফার তাকে সঙ্গ দিয়েছেন। রেইফারের বিদায়ের পর পর দ্রুত আউট হন কার্ক-ব্র্যান্ডন কিংও। তার পরেও অবশ্য সমস্যা হয়নি। অ্যালিক আথানাজে ও কেসি কার্টির প্রতিরোথে আবার মাথা তুলে দাঁড়ায় তারা। আথানাজে ৪৫ রানে আউট হয়েছেন। দুর্ভাগ্য দলকে লিড পাইয়ে দিয়ে শেষ ভাগে ৬৮ রানে আউট হয়েছেন কার্টি।
৩৭ রানে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন সাইফ হাসান। একটি করে নিয়েছেন খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসান ও তানভীর ইসলাম।









