সিলেটে দ্বিতীয় চার দিনের টেস্টে স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান তুলতে না পেরেও দারুণ লড়াই করলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আফিফ হোসেনের নেতৃত্বে বোলাররা সহজে ছেড়ে দেয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলকে। কিন্তু ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া ডা সিলভা প্রতিরোধ গড়ে জেতান দলকে। প্রথম ম্যাচটি ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয়টি ৩ উইকেটে জিতে তিন টেস্টের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে থাকলো উইন্ডিজ।
৬ উইকেটে ২৮৭ রান। দলীয় স্কোর তিনশ হবে না, এমন ভাবনা কোনোভাবেই আসার কথা নয়। সেটাই হলো। ১০ রানের ব্যবধানে শেষ চার উইকেট হারালো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আগের দিন ৬৪ রানে অপরাজিত ইরফান শুক্কুর ৭২ রানে আউট। বাকিরা হাল ধরতে পারেননি।
বাংলাদেশের শেষ চারটি উইকেটের মধ্যে দুটি করে পান কেভিন সিনক্লেয়ার ও জায়ার ম্যাকঅ্যালিস্টার। সিনক্লেয়ারের ঝুলিতে গেছে পাঁচ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৭ রানে স্বাগতিকরা অলআউট হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের টার্গেট ১৯০ রান। তাদের ব্যাটাররা সহজ জয়ের ভাবনা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা তাদের ঘাম ছুটালেন।
এই বছর মার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা তানভির ইসলাম হাত ঘুরালেন। তাতে এলোমেলো হয়ে পড়েছিল সফরকারীদের ব্যাটিং লাইন। কিন্তু ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া ডা সিলভা ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিকূলতা জয় করে নায়ক হলেন।
ষষ্ঠ ওভারে কার্ক ম্যাকেঞ্জিকে (১২) ফেরান নাঈম হাসান। এরপর সাইফ হাসান টানা দুই ওভারে রেমন রেইফার (২২) ও ত্যাগনারায়ণ চন্দরপলকে (২২) মাঠছাড়া করেন।
৫৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে না উঠতেই ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ে দুই ওভারে জোড়া আঘাত তানভিরের। ৭০ রানে পাঁচ ব্যাটারকে হারিয়ে ধুঁকছিল উইন্ডিজ।
কিন্তু দাঁড়িয়ে যান কিং ও ডা সিলভা। দুজনের জুটিতে দারুণ প্রত্যাবর্তন সফরকারীদের। কিন্তু তানভির ৪৩তম ওভারে ওভারে দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে ম্যাচের উত্তেজনা বাড়ান। কিং ৫৪ রানে থামেন, নেমেই ৩ বল পর আউট কেভিন সিনক্লেয়ার (৪)।
১৫০ রানে উইন্ডিজের সপ্তম ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ আবার আশার আলো খুঁজে পায়। কিন্তু আর পথ হারায়নি সফরকারীরা। ডা সিলভা ও আকিম জর্ডানের ৪১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জিতে যায় ক্যারিবিয়ানরা। ৭ উইকেটে ১৯১ রান করে তারা।
অধিনায়ক ডা সিলভা ৪৭ ও জর্ডান ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
তানভির সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। দুটি পান সাইফ।
আগামী মঙ্গলবার সিলেটেই হবে তৃতীয় ও শেষ আনঅফিসিয়াল টেস্ট।









