প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়েছিল বাংলাদেশ। যদিও স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে নামতে হয়নি। আবার ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল দ্বিতীয় ইনিংসে ২২০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করলে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৬১ রান। শেষ চারদিনের আনঅফিশিয়াল টেস্টে তৃতীয় দিন শেষে বিনা উইকেটে ৪৭ রান তুলতে পেরেছে স্বাগতিক দল। শুক্রবার শেষ দিনে জয়ের জন্য ৪১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামবে জাকির হাসান-মাহমুদুল হাসান জয়রা। যা এক কথায় প্রায় অসম্ভব-ই!
আগের দিন বুধবার ক্যারিবীয়দের ৪৪৫ রানে অলআউট করে দিনশেষে ১৫৭ রান তুলতেই বাংলাদেশ ‘এ’ দল সাত উইকেট হারিয়েছে। ফলোঅন এড়াতে বাংলাদেশকে করতে হতো ২৯৫ রান। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে আর ৪৮ রান যোগ করে ২০৫ রানেই গুটিয়ে গেছে মুমিনুলরা। মূলত নাসুম আহমেদের ৫৮ বলে অপরাজিত ৩৮ রানে বাংলাদেশ দুইশ পেরুতে পেরেছে।
ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে ভিরাসাম্মি পারমউল সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া অ্যান্ডারসন ফিলিপ ও কেভিন সিনক্লেয়ার নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।
বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করলেও তাদের ফলোঅনে পাঠায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুনরায় ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৫.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে। প্রথম ইনিংসে ৮৩ রান করা ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল দ্বিতীয় ইনিংসেও ৮৩ রানের ইনিংস খেলেছেন। যদিও দ্বিতীয় ইনিংসে চাইলে সেঞ্চুরি পেতে পারতেন তিনি। কিন্তু অধিনায়ক জশুয়া ডি সিলভা ইনিংস ঘোষণা করায় সেই সুযোগ পাননি। জশুয়া ৪৭, টেভিন ইমলাচ ২৮* ও অ্যালিক অ্যাথানেজও ২৭ রানের ইনিংস খেলেছেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সাইফ হাসান তিনটি এবং নাসুম আহমেদ দুটি উইকেট নিয়েছেন।
জবাবে ৪৬১ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে বৃহস্পতিবার শেষ বিকালে আধিপত্য দেখিয়েছেন দুই ওপেনার জাকির ও জয়। ১৩.৫ ওভারে দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় বাংলাদেশ বিনা উইকেটে ৪৭ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। শুক্রবার শেষ দিনে কঠিন চাপ নিয়ে স্বাগতিক দল মাঠে নামবে। মুমিনুল-জাকি-জয়-ইয়াসির-সাইফ হাসানরা দৃঢ়তা দেখালে যে কোনও কিছুই সম্ভব।
এর আগে প্রথম ইনিংসে চন্দরপল (৮৩), জশুয়া (৮২), সিনক্লেয়ার (৬০), অ্যাথানেজ (৫৯) ও রেইফারের (৫৬) অবদানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল ১১৬.২ ওভারে ৪৪৫ রান সংগ্রহ করেছে।








