আগের ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে ৭০ বলে জিম্বাবুয়ের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছিলেন শন উইলিয়ামস। দ্বিতীয় ম্যাচে তাকেও ছাড়িয়ে গেলেন সিকান্দা রাজা। ৫৪ বলে তুলে নিয়েছেন বিস্ফোরক সেঞ্চুরি। রাজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে নিয়েছে স্বাগতিক দল।
৩১৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা জিম্বাবুয়ের জয়ের মূল কারিগর মূলত শন উইলিয়ামস ও সিকান্দার রাজা। উদ্বোধনী জুটিতে জয়লর্ড গাম্বি ও ক্রেইগ আরভিন ৮০ রান যোগ করেছেন। আরভিন হাফসেঞ্চুরি করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। গাম্বি ফিরেছেন ৪০ রানে। ওয়েসলি মাধেভেরে ১০ রানে ফিরলে তার পর দলকে জেতানোর দায়িত্ব নেন শন উইলিয়ামস ও সিকান্দার রাজা। দুজনেই বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর ত্রাস ছড়িয়েছেন। শন অবশ্য ৫৮ বলে ৯১ রানে আউট হলে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ২টি ছয়ের মার। তাতে ভাঙে ৮৪ রানের জুটি।
শন যখন আউট হন তখনও দলের স্কোর ছিল ৩৪.১ ওভারে ৪ উইকেটে ২৪৬। তার রাজার ছক্কা বৃষ্টিতে ম্যাচটা ৪০.৫ ওভারে শেষ হয়েছে। ৫৪ বলে সেঞ্চুরি পাওয়া রাজার অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৮টি ছয়ের মার। রায়ান বার্ল ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৭৩ রান যোগ হয়েছে। ৪ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ের জয় নিশ্চিত হয়েছে ৪০.৫ ওভারে।
শুরুতে হারারেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ডাচরাও বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে নিজেদের যৌথ সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর গড়েছে। ৬ উইকেটে তুলেছে ৩১৫ রান। ওপেনিং জুটিতে ম্যাক্স ও’ডাউড ও বিক্রমজিৎ সিং ১২০ রান যোগ করেছেন। তার পর ৯৬ রান যোগ হয়েছে বিক্রমজিৎ ও অধিনায়ক স্কট অ্যাডওয়ার্ডসের ব্যাট থেকে। ওপেনার বিক্রমজিৎ ১১১ বলে ৮৮ রান করেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চারের মার। অধিনায়ক অ্যাডওয়ার্ডস করেছেন ৭২ বলে ৮৩। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চারের মার।
বল হাতে রাজার প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি। ৫৫ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন। তাই ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। দুটি নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা।









