স্কোরবোর্ডে মাত্র ২৬৮ রানের পুঁজি। তারপরও জয়ের জন্য ক্ষুধার্ত ছিল জিম্বাবুয়ে। সেই ক্ষুধার কাছে পাত্তা পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিকান্দার রাজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টানা তৃতীয় জয় পেলো তারা ৩৫ রানে। তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ানরা।
৪৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারপর কাইল মায়ার্স ও শাই হোপের জুটিতে সহজ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিল তারা। মায়ার্স ৫৬ রান করে বিদায় নেন। ৬৪ রানের এই জুটি ভেঙে ব্রেকথ্রু আনে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক হোপকে (৩০) বোল্ড করেন রাজা।
১৩৪ রানে চার উইকেট হারানোর পরও নিকোলাস পুরান ও রোস্টন চেজের জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জয়ের পথেই রেখেছিল। ৪১ রানের এই জুটি ভেঙে গেলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৩৪ রানে থামেন পুরান।
চেজ একাই লড়ে গেছেন। লোয়ার অর্ডারের কেউই দাঁড়াতে পারেননি। রভম্যান পাওয়েল (১) ও জেসন হোল্ডার (১৯) আউট হলে সব আশা শেষ হয়ে যায়। ৪৪ রান করেন চেজ। ৪৪.৪ ওভারে ২৩৩ রানে অলআউট উইন্ডিজ।
ক্যারিবিয়ানদের বিপর্যয়ে তিন উইকেট নিয়ে সেরা বোলিং করেন তেন্দাই চাতারা। দুটি করে উইকেট পান ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা, রাজা।
এর আগে রাজা ও রায়ার্ন বার্ল হাফ সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের স্কোরবোর্ডে রান জমাতে বড় অবদান রাখেন। ৫৮ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে ৬৮ রান করেন রাজা। ৫০ রান আসে বার্লের ব্যাটে। ওপেনার ও অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন (৪৭) অল্পের জন্য হাফ সেঞ্চুরি পাননি। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে গুটিয়ে যায় তারা।
উইন্ডিজের পক্ষে কিমো পল সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি করে পান আলজারি জোসেফ ও আকিল হোসেন।
দারুণ ব্যাটিং-বোলিংয়ের পাশাপাশি দুটি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন রাজা।









