বাংলাদেশের বোলাররা গড়পড়তায় ভালোই করছে। কিন্তু ব্যাটিংয়ে কারও বড় ইনিংস নেই। এ কারণে বরাবরই মাশুল দিতে হচ্ছে। ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে তার বড় উদাহরণ। নারী জাতীয় দলের কোচ হাশান তিলকারত্নে এই বিষয়টির ওপর আলোকপাত করেছেন।
তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কান কোচ ব্যাটিং দুশ্চিন্তার কথা স্বীকার করেছেন, ‘হ্যাঁ! ব্যাটিং একটি বড় চিন্তার কারণ। ওরা উইকেটে থিতু হয়ে আউট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো, থিতু হওয়া। ভালো শুরু পাওয়ার পর, আপনি উইকেট ছুঁড়ে আসতে চাইবেন না। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১০৩ রান, আমরা ভাবছিলাম চাহিদার সমান্তরালেই আছি। কিন্তু ওই সময় দূর্ভাগ্যবশত পিংকির উইকেট হারানো, আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে। তো হ্যাঁ আমরা ব্যাটিং নিয়ে ভাবছি। বড় চিন্তার জায়গা হলো অনেক বেশি ডট বল খেলা। এছাড়া প্রথম পাওয়ার প্লেতেও আমরা অনেক পিছিয়ে থাকছি। আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমি নিশ্চিত, তারা আগামীকাল ভালো পারফরম্যান্স নিয়ে আসবে।"
ক্রিকেটারদের টেকনিক্যালে কোনও সমস্যা দেখছেন না হাশান, ‘আমার মনে হয়, তারা টেকনিক্যালি ভালো। কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, তারা টেকনিক্যালি ভালো। তবে তাদের মানসিকতা বড় ইনিংস খেলার জন্য প্রস্তুত নয়। তো তাদের সঙ্গে কাজ করতে হবে। এছাড়া ফিটনেসও গড়পড়তার নিচে। আমাদের এখন নতুন ট্রেনার আছে, ইংল্যান্ড থেকে এসেছে। সে কাজ করছে। এই সিরিজের পর একটা ফিটনেস ক্যাম্প হবে, ৬ সপ্তাহের। আমি নিশ্চিত, তারা ঠিকভাবে ফিরে আসবে।’
এই ম্যাচে বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী তিনি, ‘হ্যাঁ, আমরা আমাদের মিডল অর্ডার নিয়ে কাজ করছি। এটি চিন্তার জায়গা। আমরা মাঝের ওভারগুলোতে যথেষ্ট সিঙ্গেলস পাচ্ছি না। আমরা এটি আলোচনা করেছি। আমি নিশ্চিত, তারা ভুল শুধরে শেষ ম্যাচে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াবে।’
মেয়েদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে বললেন হাশান, ‘মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী৷ দ্বিতীয় ম্যাচটি আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো হয়নি। এরপর আমাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। আমরা কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি৷ এখন পারফরম্যান্সের দায়িত্ব ওদের। ক্রিকেটাররা খুব আত্মবিশ্বাসী। আশা করছি, কালকে ভালো পারফরম্যান্স নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে।’









