গল টেস্ট জয়ের পর কলম্বো টেস্টের প্রথম দিনেই দেখা গেলো পাকিস্তানের আধিপত্য। লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ ও পেসার নাসিম শাহর দুর্দান্ত বোলিংয়ে চা বিরতির আগেই প্রথম ইনিংসে লঙ্কানদের ১৬৬ রানে বেঁধে ফেলেছে পাকিস্তান। তার পর ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়ে লিড নেওয়ার কাছে পৌঁছে গেছে সফরকারী দল। ২ উইকেটে দিন শেষ করেছে ১৪৫ রানে। পাকিস্তান আর ২১ রানে পিছিয়ে। ক্রিজে আছেন বাবর আজম (৮*) ও ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক (৭৪*)।
টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লঙ্কান দল। তার পর লঙ্কান ব্যাটিং যেভাবে ধসে পড়ে, সেরকম কোনও হুমকিই ছিল না উইকেটে। প্রতিরোধ গড়ার মতো ব্যাটিং করেছেন শুধু ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ৫৭ রান আসে তার ব্যাট থেকে। সঙ্গী হিসেবে ৩৪ রান করেন দিনেশ চান্ডিমাল।
ব্যাটারদের দুর্বল শট সিলেকশন ছিল লঙ্কানদের ভরাডুবির জন্য দায়ী। সঙ্গে ফিল্ডারদের অসাধারণ প্রচেষ্টাও প্রভাবক হিসেবে কাজে দিয়েছে। শ্রীলঙ্কান ব্যাটাররা যেন উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসেছেন। পাকিস্তান সেসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ম্যাচের।
ব্যাটিংটা এতই করুণ ছিল যে, শ্রীলঙ্কা ৩৬ রানে চার উইকেট হারায় ১৩ ওভার শেষ না হতেই। দিনেশ চান্ডিমালকে নিয়ে ধনাঞ্জয়া ৮৫ রান যোগ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন! পরে এই জুটি ভেঙে স্বাগতিকদের সর্বনাশ করেছেন নাসিম। তার পর তো আবরারের লেগ স্পিনে ধরাশায়ী হয়েছে লঙ্কান ব্যাটিং। ৪৪ রানের ব্যবধানে শেষ পাঁচ উইকেট পড়েছে; যার চারটিই নিয়েছেন আবরার।
৬৯ রানে ৪টি নিয়েছেন আবরার। নাসিম ৪১ রানে নিয়েছেন তিনটি।
পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। ১৩ রানে ইমাম উল হকের (৬) উইকেট নেন আসিথা ফার্নান্ডো। তার পর প্রতিরোধ গড়েন ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক ও শান মাসুদ। ১০৮ রানের জুটি গড়েন তারা। দিনের শেষভাগে ৫১ রান করা মাসুদকে ফিরিয়ে আবার আঘাত হানেন আসিথা। ততক্ষণে অবশ্য শফিক ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছেন। হাফসেঞ্চুরির পর বাবর আজমকে সঙ্গে নিয়ে দিন শেষ করেছেন।









